সংবাদ শিরোনাম

আজাদ কাশ্মীর ভোটে পিএমএল-এন, পিপিপির সমান সাফল্য

 প্রকাশ: ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন   |   আন্তর্জাতিক

আজাদ কাশ্মীর ভোটে পিএমএল-এন, পিপিপির সমান সাফল্য


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পাকিস্তানশাসিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর (এজেকে) আইনসভা নির্বাচনের বিলম্বিত ভোটে মুজাফফরাবাদ বিভাগের দুটি আসনের একটিতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং অন্যটিতে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) বিজয়ী হয়েছে। ভূমিধস ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ সম্ভব না হওয়ায় মঙ্গলবার এসব আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এই ভোট ছিল আজাদ কাশ্মীর আইনসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের অংশ। এ পর্বে মুজাফফরাবাদ বিভাগের আসনগুলোর পাশাপাশি ভারতশাসিত কাশ্মীর থেকে বাস্তুচ্যুতদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসনেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আজাদ কাশ্মীর নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এলএ-২৭ (কুতলা) আসনে পিএমএল-এনের নুরিন আরিফ ১৮ হাজার ৯১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তিনি ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টির (আইপিপি) প্রার্থী সরদার তাবারক আলীকে ২৯৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। এ আসনে পিপিপির সরদার জাভেদ আইয়ুব ১৮ হাজার ৩৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

অন্যদিকে এলএ-২৮ (লাছরাত) আসনে পিপিপির সৈয়দ বাজিল আলী নাকভি ২৮ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পিএমএল-এনের চৌধুরী শাহজাদ মাহমুদ পেয়েছেন ২৬ হাজার ৮৬৬ ভোট। অল জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর কনফারেন্সের সৈয়দ ইয়াসির হুসেইন নাকভি মাত্র ৮৭৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন।

এই ফল ঘোষণার পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে বিজয়ী অন্য প্রার্থীদের নামও আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

নতুন ফলাফলের পর আজাদ কাশ্মীর আইনসভায় পিএমএল-এনের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪। অন্যদিকে পিপিপির দখলে রয়েছে ১০টি আসন।

র্বাচনের প্রথম ধাপে মিরপুর বিভাগে ১৩টি আসনের মধ্যে পিএমএল-এন ৯টি এবং পিপিপি ৪টি আসন জিতেছিল। দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন শেষে পিএমএল-এন আরও ১৫টি এবং পিপিপি আরও ৬টি আসন নিজেদের ঝুলিতে যোগ করেছে।

তৃতীয় ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ আগস্ট পুঞ্চ বিভাগে। ওই ধাপে ১১টি আসনে ভোট হবে।


নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) আন্দোলনের কারণে তিন ধাপে নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে। জুনের শুরু থেকে সংগঠনটি আজাদ কাশ্মীর আইনসভায় ভারতশাসিত কাশ্মীরের শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিভিন্ন সময় সেই আন্দোলন সহিংসতায়ও রূপ নিয়েছে।

এদিকে নির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্রে হাতাহাতি, সহিংসতা এবং কারচুপির অভিযোগও উঠেছে। পিএমএল-এন ও পিপিপি উভয় দলই একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগ করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement