ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যামে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ব্রিটেনের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষা। প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের পর লেবার পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ে এখন পর্যন্ত একমাত্র প্রার্থী হিসেবে সামনে এসেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলে জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, ৯ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত নেতৃত্ব নির্বাচনে আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়ন সংগ্রহ করতে হবে। বর্তমানে দলটির ৪০৩ জন এমপির অন্তত ৮১ জনের সমর্থন প্রয়োজন। পাশাপাশি অন্তত তিনটি অনুমোদিত ট্রেড ইউনিয়ন বা সমাজতান্ত্রিক সংগঠনের সমর্থন, অথবা ৫ শতাংশ কনস্টিটুয়েন্সি লেবার পার্টির (সিএলপি) মনোনয়নও লাগবে।
এখন পর্যন্ত বার্নহ্যামের বিপক্ষে কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী সামনে আসেননি। বরং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংও নেতৃত্বের লড়াইয়ে না নেমে বার্নহ্যামকে সমর্থন দিয়েছেন। যদি শেষ পর্যন্ত আর কেউ প্রার্থী না হন, তাহলে ১৭ জুলাইয়ের মধ্যেই তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হতে পারেন। এরপর কিং চার্লস তৃতীয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন স্যার কিয়ার স্টারমার এবং ২০ জুলাই বার্নহ্যামকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।
তবে শেষ মুহূর্তে যদি আরেকজন প্রার্থী মাঠে নামেন, তাহলে নেতৃত্ব নির্বাচন গড়াবে দলের সদস্যদের ভোটে। সে ক্ষেত্রে ৬ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে এবং ফল ঘোষণা করা হবে ২৯ আগস্ট। নতুন নেতা দায়িত্ব নেবেন পার্লামেন্টের গ্রীষ্মকালীন বিরতি শেষে, ১ সেপ্টেম্বরের আগে।
সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ইতোমধ্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দায়িত্ব পেলেও তিনি এখনই আগাম সাধারণ নির্বাচন ডাকবেন না। তাঁর ভাষায়, তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করবেন। বর্তমান আইন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন সর্বোচ্চ ২০২৯ সালের আগস্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে তার আগেও নির্বাচন আয়োজন করতে পারেন।
সূত্র: বিবিসি