কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর প্রায় দেড়টার দিকে ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) পরিচালিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির ভেতর থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো স্থাপনাজুড়ে। বাঁশ, কাঠ ও ত্রিপল দিয়ে নির্মিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয় এবং কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। আগুনের তাপে আশপাশের কয়েকটি ঝুপড়ি ঘরও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরা দ্রুত আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেন। পরে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে ঘনবসতিপূর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর প্রায় দেড়টার দিকে ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) পরিচালিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির ভেতর থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো স্থাপনাজুড়ে। বাঁশ, কাঠ ও ত্রিপল দিয়ে নির্মিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয় এবং কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। আগুনের তাপে আশপাশের কয়েকটি ঝুপড়ি ঘরও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
খবর পেয়ে স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরা দ্রুত আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেন। পরে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার ডলার ত্রিপুরা জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে ঘনবসতিপূর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।