বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে নতুন কর্মপরিকল্পনা

 প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন   |   জাতীয়

বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরুজ্জীবনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে নতুন কর্মপরিকল্পনা

ঢাকা, ৪ জুন :

দেশের শিল্প খাতকে আরও গতিশীল ও উৎপাদনমুখী করতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আজ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, আর্থিক চ্যালেঞ্জ এবং পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দেশের অর্থনীতির জন্য একটি অপ্রয়োজনীয় বোঝা হয়ে থাকতে পারে না। বিদ্যমান অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি ও মানবসম্পদকে কাজে লাগিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনমুখী পুনর্বিন্যাস করতে হবে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলারও নির্দেশনা দেন তিনি।

সভায় শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে বাজার চাহিদাভিত্তিক উৎপাদন, রপ্তানিমুখী পণ্য উন্নয়ন এবং লোকসানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পুনর্মূল্যায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় সচল করার জন্য চলমান উদ্যোগ, সম্ভাব্য বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

সভার শেষে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশসমূহ নির্ধারণ করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement