জুলাইয়ের মধ্যেই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী
সিলেট, ২৪ জুন: মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের ইতিবাচক ফল আগামী মাস থেকেই দৃশ্যমান হতে শুরু করবে এবং জুলাইয়ের মধ্যেই এ বিষয়ে সুখবর পাওয়া যেতে পারে।
মঙ্গলবার সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চলমান
কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর ছিল অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ। সফরকালে
দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনায় শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, জনশক্তি রপ্তানি এবং পারস্পরিক
সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জুলাই
মাসে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের মাধ্যমে চলমান
বিষয়গুলোর বাস্তব অগ্রগতি আরও স্পষ্ট হবে।
প্রবাসীদের জন্য বিমানবন্দর সেবার মানোন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে যাত্রীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে
বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রয়োজনীয় যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক
সেবা ও প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
তিনি বলেন, প্রবাসীরা যাতে বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার
না হন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিমানবন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, সিলেট অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক
প্রবাসীর কথা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি রাতের
ফ্লাইটের যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং শিশুদের জন্য ‘কিডস জোন’ স্থাপনের
পরিকল্পনাও রয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক
কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
মাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বচ্ছতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট
সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক
ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।