সংবাদ শিরোনাম

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে জর্ডান-ফ্রান্স আলোচনা

 প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন   |   আন্তর্জাতিক

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে জর্ডান-ফ্রান্স আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার জর্ডান ও ফ্রান্সের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। জর্ডানের যুবরাজ হুসেইন বিন আবদুল্লাহ দ্বিতীয় এবং দেশটির শীর্ষ সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তারা ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনী ও ভেটেরান্স বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যালিস রুফোর সঙ্গে বৈঠক করেন।

জর্ডানের রাজপ্রাসাদ আল-হুসেইনিয়া প্যালেসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় এবং সর্বশেষ আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা পেত্রা জানিয়েছে।

বৈঠকে যুবরাজ হুসেইন অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবনতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উত্তেজনা কমাতে আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি পুরো অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

অ্যালিস রুফো জর্ডানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান সাফাদি এবং সশস্ত্র বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ইউসুফ হুনেইতির সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।

মেজর জেনারেল হুনেইতির সঙ্গে বৈঠকে জর্ডান ও ফ্রান্সের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।

আইমান সাফাদি ও ফরাসি প্রতিমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মতবিনিময় করেন।ইরানের পক্ষ থেকে বাড়তে থাকা সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে জর্ডান যখন নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করছে, তখন এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো।

মঙ্গলবার জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানায়, ৯ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত ১৬ দিনে ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা ৯৫টি হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ৭০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ২৫টি ড্রোন।

জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনই জনবসতিহীন এলাকায় প্রতিহত করা হয়েছে। শুধু ২৪ জুলাই একদিনেই ১৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে জর্ডান এর আগেও নিজেদের আকাশসীমা অতিক্রম করা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করেছে। দেশটির অবস্থান হলো, তারা নিজেদের ভূখণ্ড ও নাগরিকদের কোনো আঞ্চলিক সংঘাতের লক্ষ্যবস্তু হতে দেবে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement