সংবাদ শিরোনাম

ডিজিটাল সেবায় নতুন ভাবনা কুয়েটে ইনোভেটিভ আইডিয়া প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ

 প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন   |   জাতীয়

ডিজিটাল সেবায় নতুন ভাবনা  কুয়েটে ইনোভেটিভ আইডিয়া প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ

মাসুদ আল হাসান , খুলনা :

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক সেবার ডিজিটালাইজেশন, অটোমেশন ও সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে ‘ইনোভেটিভ আইডিয়া প্রদর্শনী, পুরস্কার বিতরণ ও ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ। সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন টিমের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. আওলাদ হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী হামিদুল বারী।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক সেবা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাঁদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করেন। পরে নির্বাচিত সেরা উদ্ভাবকদের পুরস্কার দেওয়া হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে সময়োপযোগী করে তুলতে উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন, দক্ষ সেবা ব্যবস্থা এবং সৃজনশীল উদ্যোগের সমন্বয়ে স্মার্ট কুয়েট গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নতুন ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মকর্তা ক্যাটাগরিতে সেরা উদ্ভাবক নির্বাচিত হন আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারফান উপল।

শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে প্রথম হন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আখলাকুল ইসলাম ফাইম। প্রথম রানারআপ হন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মিফতাহুল ইসলাম তাসীন। যৌথভাবে দ্বিতীয় রানারআপ হন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মো. রাগীব আবিদ এবং ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের রাফিকুজ্জামান রবিন।

উদ্ভাবনী ধারণাগুলোর মূল্যায়ন করেন অধ্যাপক ড. কাজী হামিদুল বারী, অধ্যাপক ড. মোস্তফা জামান চৌধুরী এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ইনাম।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকেরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবনী সংস্কৃতি বিকাশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও নিয়মিত অনুষ্ঠিত হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement