ঈর্ষার জেরে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা, গ্রেপ্তার দুই সহপাঠী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের ডি-টাইপ কলোনিতে একটি মাদ্রাসার ১৫ বছর বয়সী ছাত্রকে হত্যার অভিযোগে তার দুই সহপাঠীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত মুহাম্মদ শোয়াইব স্থানীয় মাদ্রাসা মুহাম্মদিয়া রিজভিয়ার ছাত্র ছিলেন। পুলিশের দাবি, তিনি নিয়মিত পরীক্ষায় প্রথম হতেন। অন্যদিকে সহপাঠী মুহাম্মদ ইরফান বারবার পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় শিক্ষকদের তিরস্কারের শিকার হন। এ কারণে ক্ষোভ ও ঈর্ষা থেকেই শোয়াইবকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে শোয়াইব মাদ্রাসার একটি কক্ষে ঘুমিয়ে থাকাকালে ইরফান আরেক সহপাঠী মুহাম্মদ রেহানের সহায়তায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে মরদেহ একটি বস্তায় ভরে সাইকেলে করে কাছের একটি নালায় ফেলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হলে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নালা থেকে শোয়াইবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে ফয়সালাবাদে পৃথক অভিযানে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ বিভাগের ট্রান্সফরমার মেরামত ও সেখান থেকে তামার তার চুরির অভিযোগে একটি বেসরকারি ওয়ার্কশপের মালিক ও দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ)। অভিযানে বিভিন্ন ধারণক্ষমতার ১০টি ট্রান্সফরমার, বিপুল পরিমাণ তামার তার, ট্রান্সফরমারের তেল এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিদ্যুৎ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করে আরও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
ফয়সালাবাদে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায়ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। জারানওয়ালা সড়কে দ্রুতগতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা দিলে তাসাওয়ার সাঈদ (১৮) ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং গুরুতর আহত মুহাম্মদ আরসালান (১৯) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। অন্যদিকে সারগোধা সড়কে একটি ট্রাক্টর-ট্রলি মোটরসাইকেলচালিত রিকশাকে ধাক্কা দিলে সামরিন বিবি (৩০) নিহত হন এবং পাঁচ নারীসহ ছয়জন গুরুতর আহত হন। এছাড়া খুররিয়ানওয়ালা-জারানওয়ালা সড়কে দুটি শ্রমিকবাহী বাসের সংঘর্ষে অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সূত্র: dawn