ফিজির যমজ শিশুরা পৌঁছাল সৌদিতে চিকিৎসার জন্য

 প্রকাশ: ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন   |   আন্তর্জাতিক

ফিজির যমজ শিশুরা পৌঁছাল সৌদিতে চিকিৎসার জন্য


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ফিজির জোড়া লেগে জন্ম নেওয়া যমজ শিশু জেসিপেলি ও ডি সেচেয়া চিকিৎসার জন্য সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পৌঁছেছে। দেশটির বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশনায় তাদের রিয়াদের কিং আবদুল্লাহ স্পেশালাইজড চিলড্রেনস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা প্রথমে দুই শিশুর শারীরিক অবস্থা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। এরপর তারা আলাদা করার অস্ত্রোপচার নিরাপদ ও সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সৌদি কনজয়েনড টুইনস প্রোগ্রামের প্রধান এবং কেএসরিলিফের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল্লাহ আল-রাবিয়াহ এ মানবিক উদ্যোগের জন্য সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, এই কর্মসূচি মানুষের জীবন ও মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার সৌদি অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।

ডা. আল-রাবিয়াহর ভাষ্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং দক্ষ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে সৌদি কনজয়েনড টুইনস প্রোগ্রাম এখন বিশ্বের সবচেয়ে জটিল এ ধরনের চিকিৎসার অন্যতম শীর্ষ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্যোগ বহু পরিবারের জন্য নতুন আশার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

রিয়াদে পৌঁছে যমজ দুই শিশুর বাবা-মা সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উষ্ণ অভ্যর্থনা, আন্তরিক আতিথেয়তা এবং দ্রুত চিকিৎসা সহায়তার জন্য তারা সৌদি আরবকে ধন্যবাদ জানান।

ফিজির জোড়া লেগে জন্ম নেওয়া যমজ শিশু জেসিপেলি ও ডি সেচেয়া চিকিৎসার জন্য সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে পৌঁছেছে। দেশটির বাদশাহ সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশনায় তাদের রিয়াদের কিং আবদুল্লাহ স্পেশালাইজড চিলড্রেনস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা প্রথমে দুই শিশুর শারীরিক অবস্থা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। এরপর তারা আলাদা করার অস্ত্রোপচার নিরাপদ ও সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সৌদি কনজয়েনড টুইনস প্রোগ্রামের প্রধান এবং কেএসরিলিফের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল্লাহ আল-রাবিয়াহ এ মানবিক উদ্যোগের জন্য সৌদি নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, এই কর্মসূচি মানুষের জীবন ও মানবিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার সৌদি অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন।

ডা. আল-রাবিয়াহর ভাষ্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং দক্ষ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে সৌদি কনজয়েনড টুইনস প্রোগ্রাম এখন বিশ্বের সবচেয়ে জটিল এ ধরনের চিকিৎসার অন্যতম শীর্ষ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্যোগ বহু পরিবারের জন্য নতুন আশার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

রিয়াদে পৌঁছে যমজ দুই শিশুর বাবা-মা সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উষ্ণ অভ্যর্থনা, আন্তরিক আতিথেয়তা এবং দ্রুত চিকিৎসা সহায়তার জন্য তারা সৌদি আরবকে ধন্যবাদ জানান।

Advertisement
Advertisement
Advertisement