তেহরানে খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জনসমুদ্র, লাখো মানুষের ঢল ইমাম খোমেনি মোসাল্লায়
এর আগে শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক ও দাফন কার্যক্রম শুরু হয়। এ উপলক্ষে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে টানা সাত দিন ধরে শোকযাত্রা, দোয়া মাহফিল এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবারই বিভিন্ন দেশের আগত নেতারা তেহরানে উপস্থিত হয়ে তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শনিবার ও রোববার রাজধানী তেহরানে সাধারণ মানুষের জন্য বিশেষ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় সর্বস্তরের নাগরিকরা আয়াতুল্লাহ খামেনির পাশাপাশি তাঁর পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।
ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, শুধু তেহরানেই আগামী তিন দিনের মধ্যে দেড় থেকে দুই কোটিরও বেশি মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে অংশ নিতে পারেন। নিরাপত্তা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং শোকানুষ্ঠান নির্বিঘ্ন রাখতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই অসংখ্য মানুষ অনুষ্ঠানস্থলের বাইরে অবস্থান নিতে শুরু করেন। রাত পেরিয়ে শনিবার ভোরে সেই অপেক্ষমাণ মানুষের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা সোমায়ি হামেদি নামের এক ব্যক্তি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, “আমরা আমাদের নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছি। তাই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করাটাও আমাদের কাছে কষ্টের নয়; এটি আমাদের দায়িত্ব ও ভালোবাসার প্রকাশ।”