সংবাদ শিরোনাম

শ্লীলতাহানির চেষ্টা কালে গৃহবধূর দায়ের আঘাতে একাধিক মামলার আসামি নিহত

 প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন   |   খুলনা

শ্লীলতাহানির চেষ্টা কালে গৃহবধূর দায়ের আঘাতে একাধিক মামলার আসামি নিহত

খুলনা ব্যুরো :

যশোর শহরে চাঁদার টাকা দাবি করে একটি বাড়িতে হামলা ও গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে এক যুবক নিহত হয়েছেন। পরিবারের দাবি, আত্মরক্ষার জন্য গৃহবধূ দা দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত মো. জিতু (৩৫) যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একাধিক হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় জিতুকে পড়ে থাকতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এ খবর দেওয়া হয়। কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। বৃহস্পতিবার ভোরে নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় পৌঁছালে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আনা হয়।

এ ঘটনায় শুকরান বেগম (৫২) ও তাঁর ছেলে সুমন হোসেন (২৮) আহত হয়েছেন। তাঁরা যশোর জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শুকরান বেগম অভিযোগ করেন, বুধবার রাতে জিতু তাঁদের বাড়িতে ঢুকে তাঁর ছেলের কাছে চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সুমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। ছেলেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে ঘরের ভেতরে তাঁর পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হলে আত্মরক্ষার্থে পুত্রবধূ ঘরে থাকা একটি দা দিয়ে জিতুকে আঘাত করেন।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে নিহত জিতুর পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিহতের স্বজন হাসিনা বানু বলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শে জিতুকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। পথে তাঁর মৃত্যু হলে মরদেহ আবার যশোর জেনারেল হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, জিতু একাধিক মামলার আসামি ছিলেন। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement