সংবাদ শিরোনাম

কোটেশনে নয়, বিধিমালা মেনে ডিপিএমে জরুরি কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে'—কেসিসি

 প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন   |   জাতীয়

কোটেশনে নয়, বিধিমালা মেনে ডিপিএমে জরুরি কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে'—কেসিসি

খুলনা ব্যুরো :

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্প্রতি দুটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত জরুরি উন্নয়নকাজ-সংক্রান্ত সংবাদে ভুল ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেসিসি দাবি করেছে, বর্তমান প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি কাজও কোটেশন পদ্ধতিতে দেওয়া হয়নি; বরং সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড-ডিপিএম) অনুযায়ী জরুরি কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কেসিসি জানায়, গত ২৮ জুলাই দৈনিক সমকাল-এ "জরুরি ঠিকাদারী কাজ পান শুধু প্রশাসকের অনুসারীরা" এবং ২৯ জুলাই দৈনিক মানবজমিন-এ "খুলনায় টেন্ডার ছাড়া কেসিসির শতাধিক কাজ ভাগ বাটোয়ারা" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি তাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবাদে কোটেশন পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই কাজ দেওয়া হয়েছে এবং ক্রয় বিধিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে যে দাবি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। বর্তমান প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু দায়িত্ব গ্রহণের পর এ পর্যন্ত কোনো কাজই কোটেশন পদ্ধতিতে দেওয়া হয়নি।

কেসিসির ভাষ্য অনুযায়ী, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা-২০২৫-এর তপশিল-২-এর ৯৯(১)(ড) ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত সীমার মধ্যে জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে। সেই বিধান অনুসরণ করেই নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে কিছু জরুরি মেরামতকাজ ডিপিএম পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে ওয়েবসাইট বা নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে বড় প্রকল্পের আওতায় প্রধান সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়ন হলেও অধিকাংশ ছোট গলির উন্নয়ন হয়নি। এছাড়া খুলনা ওয়াসার স্যুয়ারেজ লাইন স্থাপনের খোঁড়াখুঁড়ির কারণে অনেক গলি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। জনপ্রতিনিধিশূন্য অবস্থার কারণে দীর্ঘদিন এসব সমস্যার সমাধান হয়নি।

কেসিসি জানায়, চলতি বছরের মার্চে প্রশাসক হিসেবে নজরুল ইসলাম মঞ্জু দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা লিখিতভাবে ছোট ছোট সড়ক মেরামতের দাবি জানান। সেই আবেদনের ভিত্তিতে পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে জরুরি ভিত্তিতে ডিপিএম পদ্ধতিতে মেরামতকাজ বাস্তবায়ন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সব কাজ কেসিসির তালিকাভুক্ত ঠিকাদারদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং কাজের মান নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

সবশেষে কেসিসি কর্তৃপক্ষ বলেছে, জাতীয় দুটি দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে প্রকৃত তথ্য উপেক্ষা করে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা তাদের কাছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement