সাভারের আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে নানা অনিয়ম ও সেবা-ব্যবস্থার দুর্বলতায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
সোমবার সকালে সাভারের আলমনগর এলাকায় অবস্থিত ওই কার্যালয়টি পরিদর্শনে যান তিনি। এ সময় অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, নাগরিক সেবা প্রদান প্রক্রিয়া এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শনে গিয়ে তিনি অনুপস্থিতি, ধীরগতির সেবা এবং ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির একাধিক চিত্র দেখতে পান বলে জানা গেছে।
এ সময় কার্যালয়ের বাইরে অপেক্ষমাণ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, জমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নিতে একাধিকবার অফিসে এলেও তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না; বরং দীর্ঘ সময় ধরে ভোগান্তি ও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নাগরিক সেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, শুধু অফিসে উপস্থিত থাকাই যথেষ্ট নয়; জনগণের সেবা সময়মতো এবং মানসম্মতভাবে দেওয়া প্রশাসনের মূল দায়িত্ব।
পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি যাচাইয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার নির্দেশও দেন তিনি। একই সঙ্গে তথ্যকেন্দ্র ও হেল্প ডেস্কের দুর্বল কার্যক্রম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে রেকর্ড সংরক্ষণ ও ডেটা এন্ট্রি শাখার কর্মকর্তাদের নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি তিনি সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া তিনি কার্যালয়ের বিভিন্ন নথি সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও রেকর্ড রুম ঘুরে দেখেন এবং চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।
নামজারি (মিউটেশন)সহ ডিজিটাল সেবায় দীর্ঘসূত্রতার কারণ জানতে চাইলে কর্মকর্তারা জানান, সার্ভারজনিত সমস্যার কারণে কাজ স্বাভাবিকভাবে এগোচ্ছে না। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে সার্ভার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে তিনি তথ্যকেন্দ্রকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে জনবল বাড়ানোর নির্দেশ দেন এবং ভূমি সেবায় জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন।
সাভারের আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে নানা অনিয়ম ও সেবা-ব্যবস্থার দুর্বলতায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
সোমবার সকালে সাভারের আলমনগর এলাকায় অবস্থিত ওই কার্যালয়টি পরিদর্শনে যান তিনি। এ সময় অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, নাগরিক সেবা প্রদান প্রক্রিয়া এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘুরে দেখেন প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শনে গিয়ে তিনি অনুপস্থিতি, ধীরগতির সেবা এবং ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির একাধিক চিত্র দেখতে পান বলে জানা গেছে।
এ সময় কার্যালয়ের বাইরে অপেক্ষমাণ সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, জমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নিতে একাধিকবার অফিসে এলেও তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না; বরং দীর্ঘ সময় ধরে ভোগান্তি ও হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নাগরিক সেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, শুধু অফিসে উপস্থিত থাকাই যথেষ্ট নয়; জনগণের সেবা সময়মতো এবং মানসম্মতভাবে দেওয়া প্রশাসনের মূল দায়িত্ব।
পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি যাচাইয়ে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার নির্দেশও দেন তিনি। একই সঙ্গে তথ্যকেন্দ্র ও হেল্প ডেস্কের দুর্বল কার্যক্রম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে রেকর্ড সংরক্ষণ ও ডেটা এন্ট্রি শাখার কর্মকর্তাদের নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টি তিনি সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া তিনি কার্যালয়ের বিভিন্ন নথি সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও রেকর্ড রুম ঘুরে দেখেন এবং চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।
নামজারি (মিউটেশন)সহ ডিজিটাল সেবায় দীর্ঘসূত্রতার কারণ জানতে চাইলে কর্মকর্তারা জানান, সার্ভারজনিত সমস্যার কারণে কাজ স্বাভাবিকভাবে এগোচ্ছে না। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে সার্ভার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শন শেষে তিনি তথ্যকেন্দ্রকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে জনবল বাড়ানোর নির্দেশ দেন এবং ভূমি সেবায় জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বাড়াতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন।