কুয়েটে আইইসিটি–২০২৫ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠিত
মাসুদ আল হাসান, খুলনা ব্যুরো :
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত তিন দিনব্যাপী “৭ম ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইলেকট্রিক্যাল ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইইসিটি–২০২৫)”-এর সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউজে শিক্ষক মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (ইন্টারগভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশনস অ্যান্ড কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স) এম. ফরহাদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে চিফ প্যাট্রন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী।
আইইসিটি–২০২৫ কনফারেন্স চেয়ার ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি গবেষক, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।
গত ১৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষক ও প্রকৌশলীরা ইলেকট্রিক্যাল, ইনফরমেশন এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির সাম্প্রতিক উন্নয়ন, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। সম্মেলনের টেকনিক্যাল কো-স্পন্সর ছিল আন্তর্জাতিক সংগঠন ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স (আইইইই)।
সমাপনী অধিবেশনে বক্তারা বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন জ্ঞান বিনিময় ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানের শেষে সেরা গবেষণাপত্র উপস্থাপনকারীদের মাঝে ফাতেমা রশিদ অ্যাওয়ার্ড ও আইইইই বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্গানাইজিং চেয়ার প্রফেসর ড. কাজী মোঃ রকিবুল আলম, পাবলিকেশন চেয়ার অধ্যাপক ড. মনির হোসেন, টিপিসি চেয়ার প্রফেসর ড. মুহাঃ রফিকুল ইসলাম এবং টিপিসি সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. আওলাদ হোসেন।
তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিশ্বের ১৫টি দেশ থেকে জমা পড়া ১ হাজার ৪২টি টেকনিক্যাল পেপারের মধ্য থেকে বাছাইকৃত ১৪২টি গবেষণাপত্র ২৫টি টেকনিক্যাল সেশনে উপস্থাপন করা হয়। এতে আমেরিকা, ফ্রান্স, জাপান, কানাডা, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ভারত ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের গবেষক, শিক্ষক ও প্রযুক্তিবিদরা অংশগ্রহণ করেন।