সংবাদ শিরোনাম

সুন্দরগঞ্জে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালিত

 প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন   |   রংপুর

সুন্দরগঞ্জে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ও বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালিত

শামীম পারভেজ গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

বিএনপি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সাহস,সংগ্রাম,ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি,পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের,আয়োজনে,আনন্দ মিছিল,বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি যথাযথ মর্যাদায় পালিত।উপস্থিত ছিলেন,

বাবুল আহমেদ,আহ্বায়ক,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখা।মাহামুদুল ইসলাম প্রামানিক,সদস্য সচিব,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি।ইখতিয়ার উদ্দিন ভূইয়া নিপন,ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক,সুন্দরগঞ্জ পৌর বিএনপি।মিজানুর রহমান লিপু,সদস্য সচিব,সুন্দরগঞ্জ পৌর বিএনপি।

মোস্তাক আহমেদ (পীর)যুগ্ম আহ্বায়ক,সুন্দরগঞ্জ পৌর বিএনপি।আনারুল ইসলাম,যুগ্ম আহ্বায়ক, সুন্দরগঞ্জ পৌর বিএনপি। গোফ্ফার মোল্লা,আহ্বায়ক,১ নং বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি,নাজমূল ইসলাম,আহ্বায়ক,৩ নং তারাপুর ইউনিয়ন বিএনপি,মুসা কালীমূল্লা,আহ্বায়ক,২ নং সোনারায় ইউনিয়ন বিএনপি।আব্দুল কুদ্দুস আলী,সদস্য সচিব,৭ নং রামজীবন ইউনিয়ন বিএনপি।শাহজাহান কিবরিয়া নয়ন,সদস্য সচিব,৩ নং তারাপুর ইউনিয়ন বিএনপি।ইখতিয়ার মামুন,সদস্য সচিব,৪ নং বেলকা ইউনিয়ন বিএনপি।আব্দুর রহমান,আহ্বায়ক,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যুবদল।আলম জামান মিন্টু,সদস্য সচিব,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যুবদল।গোলাম আযম,আহ্বায়ক,সুন্দরগঞ্জ সেচ্ছাসেবক দল,মতিয়ার রহমান,সদস্য সচিব,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সেচ্ছাসেবক দল।দেলোয়ার হোসেন তালুকদার,সভাপতি,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক দল।আনজু মিয়া,সাধারণ সম্পাদক,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষক দল।হামিদুল ইসলাম,সদস্য সচিব,সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষক দল।শফিকুল ইসলাম,সভাপতি,সুন্দরগঞ্জ পৌর শ্রমিক দল।শহিদুল ইসলাম,সভাপতি,সুন্দরগঞ্জ ওলামা দল।

১৯৭৮ সালের এই দিনে এক শুভ বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক,সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। মানুষের বাকস্বাধীনতা,ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় 'বাকশাল' প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন।নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।ফলে বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়।বিএনপির গৌরবময় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনে স্বাধীনতার মহান ঘোষক,সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী মরহুম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, যিনি তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।গণতন্ত্র কিংবা সুশাসন প্রতিষ্ঠাই নয়,দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে।দেশে যতবারই স্বাধীনতা,সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন হয়েছে,ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী,শুভার্থী ও সমর্থকগণ অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।দেশে গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে,ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিএনপি সরকারের আমলে নেওয়া হয়েছে।দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল।দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ,সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়।