চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো ২০২৬, থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ কুনমিং এক্সপো নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে -- বাণিজ্যমন্ত্রী

 প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন   |   জাতীয়

চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো ২০২৬, থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ  কুনমিং এক্সপো নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে        -- বাণিজ্যমন্ত্রী



কুনমিং (চীন), ২৮ জ্যৈষ্ঠ (১১ জুন):

চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো ২০২৬-এ থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বাণিজ্য; শিল্প; বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা-২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুধু সম্মানের বিষয় নয়, বরং এটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করবে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলমান এই আন্তর্জাতিক মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশগ্রহণ করছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর ব্যবস্থাপনায় এবং কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহযোগিতায় এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের প্রধান রপ্তানি খাতসমূহের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইলস, ওষুধশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্য এবং হস্তশিল্প।

এর আগে সকাল ৯টায় থিম কান্ট্রি হিসেবে স্থাপিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো। পরে মন্ত্রী প্যাভিলিয়নের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মো. খালেদ হোসেন মাহবুব ও সুলতানা জেসমিন, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ, কুনমিংস্থ বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ইপিবি এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মেলার প্রথম দিনে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার ইয়ান ডং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

আগামীকাল এক্সপো প্রাঙ্গণে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদ্যাপন হবে, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং রপ্তানি সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে আরো বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা হবে।

চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো ২০২৬-এ থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের বাণিজ্য; শিল্প; বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের ডিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘১০ম চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা-২০২৬’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, থিম কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ শুধু সম্মানের বিষয় নয়, বরং এটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করবে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলমান এই আন্তর্জাতিক মেলায় বিশ্বের ৬৮টি দেশের প্রায় ২ হাজার ৩০০ প্রদর্শক অংশগ্রহণ করছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর ব্যবস্থাপনায় এবং কুনমিংস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সহযোগিতায় এবারের মেলায় বাংলাদেশের রেকর্ডসংখ্যক ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে দেশের প্রধান রপ্তানি খাতসমূহের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইলস, ওষুধশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্য এবং হস্তশিল্প।

এর আগে সকাল ৯টায় থিম কান্ট্রি হিসেবে স্থাপিত বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো। পরে মন্ত্রী প্যাভিলিয়নের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মো. খালেদ হোসেন মাহবুব ও সুলতানা জেসমিন, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ, কুনমিংস্থ বাংলাদেশের কনসাল জেনারেলসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ইপিবি এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মেলার প্রথম দিনে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার ইয়ান ডং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

আগামীকাল এক্সপো প্রাঙ্গণে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদ্যাপন হবে, যেখানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং রপ্তানি সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মহলের সামনে আরো বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement