প্রত্যন্ত জনপদেও পৌঁছাবে শিক্ষা ও দক্ষতার আলো: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
রিপোর্টার:
ঢাকা, ১০ জুন: দেশের প্রত্যন্ত, দুর্গম ও জলবায়ু
ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনতে সফল উদ্ভাবনী শিক্ষা উদ্যোগগুলোকে জাতীয়
পর্যায়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি
হাজ্জাজ বলেছেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর কার্যকর শিক্ষা মডেলগুলোকে
বৃহত্তর পরিসরে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি শিশুর কাছে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের
সুযোগ পৌঁছে দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত UNESCO
Confucius Prize for Literacy 2025 পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে
দেশের অনেক অঞ্চলে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এসব এলাকায় শিক্ষার ধারাবাহিকতা
বজায় রাখতে ভাসমান বা নৌকাভিত্তিক বিদ্যালয় একটি সময়োপযোগী ও পরীক্ষিত উদ্যোগ হিসেবে
ইতোমধ্যে সফলতা পেয়েছে। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অন্যান্য অনুরূপ এলাকায় শিক্ষা
সেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন কোনো উদ্যোগ গ্রহণই শেষ
কথা নয়; বরং সেটিকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়াই
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই যেসব শিক্ষা উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে ইতিবাচক ফল দিচ্ছে, সেগুলোকে
জাতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের
শিক্ষা খাতে দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও
এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি ইউনেস্কো কনফুসিয়াস সাক্ষরতা
পুরস্কার অর্জনের জন্য সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থাকে অভিনন্দন জানান এবং তাদের উদ্ভাবনী
উদ্যোগকে দেশের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা চৌধুরী, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক দেবব্রত চক্রবর্তী, বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি সুসান ভাইজসহ শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।