খুলনায় মাসব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু, ২৫ কোটি গাছ রোপনের লক্ষ্যের কথা প্রতিমন্ত্রীর
খুলনা ব্যুরো :
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (১১ জুলাই) সকালে খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে বিভাগীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসন ও সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। এ কর্মসূচিকে সফল করতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থা গত ২ জুলাই পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৭০ লাখ চারা রোপণ করেছে। উপকূলীয় পরিবেশ সুরক্ষায় প্রায় দুই কোটি কেওড়া গাছ লাগানোরও পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পলিথিন ব্যবহার পরিবেশ দূষণ ও জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। তাই পলিথিনের ব্যবহার কমাতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি খালি জায়গাগুলোতে ফলজ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মনিরুজ্জামান, খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম এবং নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি মো. বদরুল আলম রয়েল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান। পরে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করেন।
বৃক্ষমেলা উপলক্ষে উদ্বোধনের আগে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে খুলনা কালেক্টরেট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মাসব্যাপী এ বৃক্ষমেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের স্টলসহ মোট ৬২টি স্টল অংশ নিয়েছে, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও