শিবগঞ্জের কয়েক হাজার বিঘা জমির বন্ধ কর চালু করতে মাঠ পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য ডা.কেরামত আলী
মোঃ জালাল উদ্দীন, রাজশাহী ব্যুরোঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার নদী ভাঙন কবলিত উজিরপুর ইউনিয়নের উজিরপুর ও রাধাকান্তপুর মৌজার কয়েক হাজার বিঘা জমির কর বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত । বন্ধ থাকা কর চালুর উদ্যোগ নিতে সেই মাঠ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী । সোমবার (১৮ মে) দুপুরে তিনি এই মাঠ পরিদর্শন করেন । এসময় সেসব জমির শতাধিক মালিক উপস্থিত ছিলেন । ভূমি মালিক আব্দুল আওয়াল, সাদিকুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, নাজির হোসেন, আব্দুল মালেক ও আলী হোসেন সহ উপস্থিত সকলেই জানান, গত ২০০১-২০০৩ সালের মধ্যে উজিরপুর ও রাধাকান্তপুর মৌজার কয়েক হাজার বিঘা জমি নদী ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যায় । কিন্তু কয়েক বছর পরেই ২০০৫-২০০৬ সালের মধ্যেই সেই জমি আবার জেগে উঠে এবং মালিকরা নিজ নিজ জমি চাষাবাদ শুরু করে । আম, বরই, কলা, ধান ও ভুট্টা সহ প্রায় সব ফসলই চাষ হচ্ছে এসব জমিতে । কিন্তু আমরা আমাদের জমির খাজনা দিতে গেলে হঠাত জানতে পারি যে, এই সব জমি সিকস্তি পর্যায়ে আছে বলে খাজনা নেয়া যাবেনা । এরপর থেকে আমরা বিভিন্ন অফিস আদালত ঘুরেও কোন সুরাহা না পেয়ে মাননীয় সংসদ সদস্যের স্বরনাপন্ন হয়েছি । ইতিপূর্বে খাজনা আদায় ছাড়াই জরিপের লোক আসলে খাজনা আদায়ের পর জরিপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা । এদিকে এতগুলো জমির খাজনা আদায় না করায় রাষ্ট্রের রাজস্ব আয়েও বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলেও জানিয়েছেন অনেকেই । সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে এই দুটি মৌজার সকল জমির খাজনা চালু করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা । ভুক্তভোগী কৃষক ও ভূমি মালিকদের এই ভোগান্তি রোধকল্পে মাঠ পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী বলেন, এই এলাকার দুটি মৌজার কয়েক হাজার বিঘা জমির কয়েকশো মালিক ভুক্তভোগী রয়েছে । তারা তাদের নিজস্ব জমির খাজনা দিতে পারছেনা এটি দুঃখজনক । তাদের বিষয়টি ইতিমধ্যেই ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি । এসময় অত্র দুটি মৌজার ব্যক্তিগত সকল জমির খাজনা চালু করতে ভূমি মালিকদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন ড. কেরামত আলী ।