ঢাকা, ১৫ জুন: দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরিয়ে আনা এবং পরবর্তীতে টেকসই সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়াই চলতি বাজেটের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, অর্থনৈতিক চাপের সময়ে নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় যেন অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে এবং তারা ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করছে। তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে এ উদ্যোগকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
অন্যদিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। কর্মসূচির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতি ছয় মাস অন্তর একটি স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এর কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি সম্পৃক্ত থাকবেন না। জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানেই পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যাতে উপকারভোগীরা নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে সেবা পেতে পারেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
ঢাকা, ১৫ জুন: দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল অবস্থানে ফিরিয়ে আনা এবং পরবর্তীতে টেকসই সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়াই চলতি বাজেটের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, অর্থনৈতিক চাপের সময়ে নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় যেন অতিরিক্ত নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে এবং তারা ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করছে। তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে এ উদ্যোগকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
অন্যদিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২৬’-এর খসড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। কর্মসূচির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতি ছয় মাস অন্তর একটি স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এর কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি সম্পৃক্ত থাকবেন না। জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানেই পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যাতে উপকারভোগীরা নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে সেবা পেতে পারেন।
সরকারের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।