রেলওয়ের অব্যবহৃত জমিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
ঢাকা, ২৫ জুন:
পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর ভায়াডাক্টের নিচে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির সূচনা করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, পদ্মা রেললিংক প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা রেললিংক প্রকল্পের আওতায় ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত রেলসেতুর আশপাশে রেলওয়ের অব্যবহৃত জমিকে সবুজায়নের আওতায় আনা হচ্ছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, অন্যদিকে অব্যবহৃত জমিরও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে সিরাজদিখানের চর গলগলিয়া মৌজায় ১০০টি ফলদ, ১০০টি বনজ এবং ৫০টি ঔষধি গাছসহ মোট ২৫০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। এ এলাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের মালিকানাধীন প্রায় ১৮ দশমিক ৭০ একর জমিতে পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জাতীয় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ রেলওয়েও নিজস্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংস্থাটির মালিকানাধীন অব্যবহৃত জমিতে মোট ২৪ লাখ গাছ রোপণ করা হবে। এর মধ্যে চলতি বছরই ১ লাখ ৬০ হাজার চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।