সংবাদ শিরোনাম

পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপে রাশিয়ায় জার্মান স্থাপনা বন্ধ

 প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন   |   আন্তর্জাতিক

পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপে রাশিয়ায় জার্মান স্থাপনা বন্ধ ছবি-সংগৃহীত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে জার্মান কনস্যুলেট জেনারেল এবং দেশটির বিভিন্ন শহরে জার্মান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে মস্কো।

সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়। এর আগে জার্মানির সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

গত সপ্তাহে জার্মানি বন শহরে রাশিয়ার কনস্যুলেট এবং বার্লিনে একটি রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। গত মাসে লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে একটি ড্রোন হামলার চেষ্টা নিয়ে রাশিয়াকে দায়ী করার পর বার্লিন ওই সিদ্ধান্ত নেয়।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেন্ট পিটার্সবার্গে জার্মান কনস্যুলেট জেনারেলের কূটনীতিক ও কর্মীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কার্যক্রম বন্ধ করে রাশিয়া ছাড়তে হবে।

এ ছাড়া মস্কো, সেন্ট পিটার্সবার্গ ও ইয়েকাতেরিনবার্গে জার্মানির গোয়েথে-ইনস্টিটিউটের শাখাগুলোর কর্মীদের চলতি রোববারের মধ্যে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাল্টা পদক্ষেপের বিষয়টি জানাতে মস্কোয় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছিল। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, জার্মান কর্তৃপক্ষই দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনা নতুন করে বাড়িয়েছে এবং এর পরিণতির পুরো দায় জার্মান সরকারের।

গত মাসের শুরুতে লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য মস্কোকে দায়ী করার অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর অভিযোগ, রাশিয়াকে দায়ী করতে প্রমাণ সাজানো হয়েছে।

রোববার রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও জার্মানির অভিযোগের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর ভাষ্য, মস্কোর বিরুদ্ধে বার্লিনের অভিযোগ কার্যত রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।

বার্লিনে রাশিয়ার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্তের জবাবে রাশিয়ায় গোয়েথে-ইনস্টিটিউটের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিলেন লাভরভ।

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯২ সালে মস্কোয় জার্মানির প্রথম গোয়েথে-ইনস্টিটিউট চালু হয়। তিন দশকের বেশি সময় পর দুই দেশের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে রাশিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম এখন বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে।