বার্নহ্যামকে সরিয়ে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হলেন ক্রেইগ

 প্রকাশ: ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন   |   আন্তর্জাতিক

বার্নহ্যামকে সরিয়ে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হলেন ক্রেইগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

 যুক্তরাজ্যের গ্রেটার ম্যানচেস্টারের নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন লেবার পার্টির প্রার্থী বেভ ক্রেইগ। অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শূন্য হওয়া মেয়র পদে শুক্রবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয় পান তিনি।

রিফর্ম ইউকের অভিবাসনবিরোধী প্রার্থী সিয়ান অ্যাস্টলির সঙ্গে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন ক্রেইগ।

ফল ঘোষণার পর ক্রেইগ বলেন, “যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ। আর যারা দেননি, তাদেরও আমি জানাতে চাই-আমি সবার মেয়র। এই শহর অঞ্চলকে রক্ষা করতে এবং সবার জন্য উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে আমি লড়াই করে যাব।”

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটে অংশ নিয়েছেন মাত্র ২৫ শতাংশ ভোটার, যা ২০১৭ সালে সরাসরি মেয়র নির্বাচনের ব্যবস্থা চালুর পর গ্রেটার ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত চারটি নির্বাচনের মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার উপস্থিতি।

নির্বাচনে ভোটাররা প্রথম ও দ্বিতীয় পছন্দের প্রার্থী বেছে নেওয়ার সুযোগ পান। প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় শীর্ষ দুই প্রার্থীকে নিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোট হয়। সেখানে বাদ পড়া পাঁচ প্রার্থীর দ্বিতীয় পছন্দের ভোট যোগ করা হয়।

ক্রেইগ এর আগে ম্যানচেস্টার সিটি কাউন্সিলের নেতা ছিলেন। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ১০টি বরোর একটি হলো এই কাউন্সিল। প্রথম দফার ভোটে তিনি ৫০ শতাংশের সামান্য কম ভোট পেয়েছিলেন।

আগের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামের মতো সরাসরি বড় ব্যবধানে জয় না পেলেও ক্রেইগের এই সাফল্য লেবার পার্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মাত্র তিন মাস আগে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচনে রিফর্ম ইউকের কাছে বড় ধাক্কা খেয়েছিল লেবার। সেই পরাজয়ের পর ক্রেইগের জয় দলটির জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর বড় বার্তা বলে মন্তব্য করেছেন ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের রাজনীতির অধ্যাপক রব ফোর্ড।

তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের সেই ভরাডুবির পর ক্রেইগের এই প্রত্যাবর্তন লেবারের জন্য “খুব শক্তিশালী মুহূর্ত”।

বার্নহ্যাম টানা নয় বছর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন। পরে তিনি সংসদের একটি আসনের বিশেষ নির্বাচনে জয়ী হন এবং কিয়ার স্টারমার পদত্যাগ করার পর লেবার নেতা নির্বাচিত হন। এরপর ২০ জুলাই তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement