ইরান যুদ্ধের চাপে ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ কীভাবে সামাল দেওয়া যায় এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে আনা যায়-এমন চাপের মধ্যেই শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
পশ্চিম মেরিল্যান্ডের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত প্রেসিডেন্টের অবকাশকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে আগের অনেক প্রেসিডেন্টের তুলনায় ট্রাম্পের উপস্থিতি কম ছিল। হোয়াইট হাউসে না থাকলে তিনি সাধারণত নিজের গলফ রিসোর্টগুলোতেই বেশি সময় কাটিয়েছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে এটি হবে তার ক্যাম্প ডেভিডে তৃতীয় সফর।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন, এটি হবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ১৩তম মন্ত্রিসভা বৈঠক। তিনি বলেছিলেন, বৈঠকটি মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য ‘ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা’ হবে।
বৈঠকের আলোচনায় পররাষ্ট্রনীতি বড় জায়গা দখল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুরুতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে ধারণা করা হলেও সংঘাত এখন পাঁচ মাসে গড়িয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে ট্রাম্পের ওপর। রয়টার্স-ইপসোসের চলতি সপ্তাহের এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র তিনজনের একজন মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধকে সমর্থন করছেন। সংঘাত শুরুর পর এটাই সমর্থনের সর্বনিম্ন হার।
অর্থনীতিতে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন রিপাবলিকান নেতারাও। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে, আর এই পরিস্থিতি তাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার বৈঠকগুলো সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে চলে। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এসব বৈঠকে মন্ত্রীরা নিজেদের দপ্তরের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং অনেক সময় প্রেসিডেন্টের প্রশংসাও করেন।
বৈঠকের পর সপ্তাহান্ত কাটাতে ট্রাম্প নিউ জার্সির বেডমিনস্টারের গলফ ক্লাবে যাওয়ার কথা রয়েছে।