সম্ভব্য পাঁচ দিনে দেশে তাপমাত্রা কিছুটা কমার আভাস
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের ওপর
বিরাজমান পশ্চিমাঞ্চলীয় লঘুচাপটি বর্তমানে দুর্বল হয়ে কার্যত গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে।
তবে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মায়ানমার উপকূলীয় এলাকায় নতুন একটি লঘুচাপ তৈরি
হয়েছে, যা ধীরে ধীরে উত্তর-উত্তরপশ্চিমমুখী হয়ে মায়ানমার ও বাংলাদেশের উপকূলের দিকে
অগ্রসর হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
প্রথম দিন (২
নভেম্বর, সন্ধ্যা ৬টা থেকে):
চট্টগ্রাম বিভাগের
কিছু কিছু জায়গায় এবং বরিশাল ও সিলেটের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি
বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও
আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত ও দিনের তাপমাত্রা
সামান্য বাড়তে পারে।
ঢাকায় পশ্চিম
বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮–১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। সন্ধ্যা
৬টায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৭৬ শতাংশ।
দ্বিতীয় দিন
(৩ নভেম্বর):
চট্টগ্রাম, বরিশাল
ও সিলেটের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের বাকি অংশে আবহাওয়া
শুষ্ক থাকবে। এদিন সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১–২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে, তবে দিনের
তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না।
তৃতীয় দিন (৪
নভেম্বর):
চট্টগ্রাম বিভাগের
অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেটের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি
হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। এ সময় রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও দিনের
তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
চতুর্থ দিন (৫
নভেম্বর):
চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেটের কয়েকটি জায়গায়ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
পঞ্চম দিন (৬
নভেম্বর):
চট্টগ্রামের দু-এক স্থানে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আকাশ থাকবে আংশিক মেঘলা এবং আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। তাপমাত্রা থাকবে প্রায় অপরিবর্তিত।
বর্ধিত পূর্বাভাস:
পরবর্তী পাঁচ
দিনে দেশের সর্বত্র তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে— যা শীত মৌসুমের আগমনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে
মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।