সুন্দরগঞ্জ দহবন্দ ইউনিয়নে একেই গ্রামে ৫০ টির বেশি ঘরবাড়ী উড়ে নিয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝরে

 প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন   |   রংপুর

সুন্দরগঞ্জ দহবন্দ ইউনিয়নে একেই গ্রামে ৫০ টির বেশি ঘরবাড়ী উড়ে নিয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝরে

শামীম পারভেজ গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

কালবৈশাখীর ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে একেই গ্রামের ৫০টির বেশি ঘরবাড়ী ও অসংখ্য গাছপালা। ৫ নং দহবন্দ ইউনিয়নের উত্তর ধুমাইটারী গ্রামের কালবৈশাখী তান্ডবে পথে বসেছে অনেক পরিবার।৫০টির বেশি ঘরবাড়ী উড়ে নিয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝরে,উল্লেখ কয়েকজনের জনের মধ্যে শারীরিক  প্রতিবন্ধী বিধুবা অসহায় গোলাভান বেওয়া বলেন হঠাৎ ভোর বেলায় একটা জোরে শব্দ শুনে উঠে দেখি আমার টিনের চালা উড়ে নিয়ে গেছে বাওয়া সারারাত ভিজে ছিলাম,আর একজন বিধুবা রিনা বেগম বলেন,আমার থাকার জন্য একটাই ঘর, সেটাই গতরাতে কালবৈশাখী তান্ডব উড়ে নিয়ে গেল।

এখন আমি কি করবো বুঝতে পারছি না।উত্তর ধুমাইটারী ছাড়াও সুন্দরগঞ্জ কয়েকটি এলাকায় কালবৈশাখী ঝরে ঘরবাড়ী সহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদ মাদ্রাসার অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।ভেঙে ও হেলে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বৈদ্যুতিক মিটার।এতে করে গতকাল(১৭ মে) রাত থেকেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৮০ হাজার গ্রাহক। রাত আড়াইটার দিকে শুরু হওয়া প্রবল ঝড়ে এ ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল বারী। তিনি জানান, গত রাতের ঝড়ে হাসপাতাল ও উপজেলা পরিষদসহ অন্যান্য এলাকায় ১২টি খুঁটি ভেঙে পড়েছে, হেলে পড়েছে আরও ৪টি। অন্তত ২০ থেকে ৩০টি স্থানে তার ছিঁড়ে গেছে এবং বহু মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর ফলে মেইন লাইন চালু করা সম্ভব হয়নি এবং ৮০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।আব্দুল বারী বলেন,ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। আমরা কয়েকটি দলে ৪৫ জন কর্মী নিয়ে দ্রুত সংযোগ চালুর চেষ্টা করছি

Advertisement
Advertisement
Advertisement