সংবাদ শিরোনাম

গোপনে প্রথম স্ত্রীকে বিয়ে করে বিদেশে, ক্ষোভে ভেকু দিয়ে প্রবাসীর বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল দ্বিতীয় স্ত্রীর স্বজনরা

 প্রকাশ: ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন   |   খুলনা

গোপনে প্রথম স্ত্রীকে বিয়ে করে বিদেশে, ক্ষোভে ভেকু দিয়ে প্রবাসীর বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল দ্বিতীয় স্ত্রীর স্বজনরা

খুলনা ব্যুরো :

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে গোপনে প্রথম স্ত্রীকে পুনরায় বিয়ে করে বিদেশে চলে যাওয়ার অভিযোগে এক প্রবাসীর বসতবাড়ি ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

রোববার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় চার বছর আগে মালয়েশিয়াপ্রবাসী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের সোনিয়া খাতুনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। পরবর্তীতে রফিকুল বিদেশে থাকাকালে সোনিয়ার বিরুদ্ধে অন্য এক প্রবাসীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার জেরে সোনিয়া একসময় বিয়ের দাবিতে অনশনও করেন এবং বিষয়টি থানা-পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। পরে রফিকুল সোনিয়াকে তালাক দিয়ে একই এলাকার এক তরুণীকে বিয়ে করেন। প্রায় এক বছর তাদের সংসার চলার পর সম্প্রতি রফিকুল গোপনে প্রথম স্ত্রী সোনিয়াকে আবার বিয়ে করে তাকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ খবর জানাজানি হলে দ্বিতীয় স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে রোববার সকালে ভেকু দিয়ে রফিকুলের বসতবাড়ি ভেঙে ফেলেন।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দীন বলেন, সকালে গিয়ে দেখেন ভেকু দিয়ে বাড়িটি ভাঙা হচ্ছে। পরে জানতে পারেন, প্রথম স্ত্রীকে গোপনে পুনরায় বিয়ে করে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর স্বজনরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতারণার অভিযোগ থাকলে আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত ছিল, বসতবাড়ি ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

রফিকুল বিদেশে থাকায় তার পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মুকুল হোসেন দাবি করেন, রফিকুল তার মেয়েকে প্রতারণা করেছেন। প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তার মেয়েকে বিয়ে করলেও পরে আবার গোপনে আগের স্ত্রীকে বিয়ে করে বিদেশে নিয়ে গেছেন। এতে তার মেয়ের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement