মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে খুলনায় ‘শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস’ পালন
খুলনা ব্যুরো :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশব্যাপী ঘোষিত “প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস” কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা নগরজুড়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। শনিবার নগরীর খালিশপুর এলাকায় মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)।
কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন ও তদারকি করেন। কেসিসির কনজারভেন্সি বিভাগ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কেসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর ভোগান্তি দূর করে একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ নগর গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। তিনি জানান, নগরীর খালসমূহ পরিষ্কারের জন্য দুই মাস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখতে ড্রেনগুলো সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার করা হবে, যাতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়।
তিনি নগরবাসীর প্রতি ড্রেন বা নালায় বর্জ্য না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলার আহ্বান জানান এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া পরিচ্ছন্ন নগর গঠন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন।
কেসিসি সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ মোকাবিলায় নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ড্রেন, নালা, আবর্জনার স্তূপ ও মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হিসেবে চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়া নগরবাসীকে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং ফুলের টব, ড্রাম, অব্যবহৃত বালতি কিংবা পরিত্যক্ত টায়ারে যেন পানি জমে না থাকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ সময় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিম, কনজারভেন্সি অফিসার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান ও মো. অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।