সংবাদ শিরোনাম

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগে অনিয়মের অভিযোগ: বনজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন

 প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন   |   খুলনা

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগে অনিয়মের অভিযোগ: বনজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন

খুলনা ব্যুরো :

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগে বনজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, পারমিট প্রদান ও তদারকি কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জেলে, বনজীবী ও পরিবেশকর্মীদের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এ জেড এম হাছানুর রহমান।

স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, বনাঞ্চলে কাঠ, মধু, কাঁকড়া ও মাছসহ বিভিন্ন বনজ সম্পদের আহরণ ও পরিবহনে নিয়ম লঙ্ঘন হলেও তা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিশেষ করে অনুমতিপত্র ও পারমিট প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং প্রভাবশালী মহলকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি—বনজ সম্পদের অবৈধ আহরণ ও পাচার রোধে দুর্বল তদারকি পারমিট ও অনুমতিপত্র প্রদানে অনিয়ম ও স্বচ্ছতার অভাব প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের বনজ সম্পদ আহরণে সুবিধা প্রদান বনাঞ্চলে বিষ দিয়ে মাছ শিকারসহ নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড দমনে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি বনদস্যু ও অবৈধ চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান না থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে বনে গেলে নানা জটিলতায় পড়ি। কিন্তু বড় ব্যবসায়ীরা সহজেই বনজ সম্পদ সংগ্রহ করছে।”

পরিবেশকর্মীরা বলছেন, সুন্দরবন একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বন। এখানে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলতে থাকলে জীববৈচিত্র্য এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ বিষয়ে বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, বন সংরক্ষণে নিয়মিত তদারকি ও অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রক্রিয়া রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা হতে পারে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সুন্দরবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল রক্ষায় বন বিভাগের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে।