রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শই শান্তি ও মুক্তির

অনলাইন ডেস্ক
২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন

ধর্মীয় জীবন

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শই শান্তি ও মুক্তির

পীর সাবির শাহ্ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী:

প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরী, ২৩ আগষ্ট ২০২৬ খ্রি, রবিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় আঞ্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট, ঢাকার ব্যবস্থাপনায় এবং গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ঢাকা এর সহযোগিতায় মোহাম্মদপুরস্থ কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসা হতে আওলাদে রাসূল, রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরিকত, হযরতুলহাজ্ব আল্লামা সৈয়াদ মুহাম্মদ পীর সাবির শাহ্ (মাঃ জিঃ আঃ) 'র সদারতে এক বিশাল জশনে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর বর্নাঢ্য আনন্দ র‍্যালী বের হয়। র‍্যালীটি মোহাম্মদপুরস্থ কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন হতে বের হয়ে তাজমহল রোড, কৃষি মার্কেট, রিং রোড, শিয়া মসজিদ, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড, সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি ২৭ নং রোড, মিরপুর রোড, আসাদ গেইট, কলেজ গেইট শ্যামলী হয়ে শ্যামলী ক্লাব মাঠে এসে শেষ হয়। জুলুছে শেষে মাহফিলে প্রধান মেহমান ও সভাপতির আসন অলংকৃত করেন হযরত আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ পীর সাবির শাহ্ (মাঃ জিঃ আঃ)। বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা হুজুর কেবলা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাশিম শাহ্ (মাঃ জিঃ আঃ) ও সৈয়্যদ আকিব আহমদ শাহ্ (মাঃ জিঃ আঃ)। সৈয়্যদ মুহাম্মদ পীর সাবির শাহ (মাঃ জিঃ আঃ) বলেন, রাসূল (দঃ) সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত এবং আল্লাহ প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। আর আল্লাহর রহমত পাওয়ার কারনে খুশী উদযাপন করা আল্লাহরই নির্দেশ। তাই কুরআনি নির্দেশ হিসেবেই প্রিয় নবীজির শুভাগমণের দিবসকে আমরা শরিয়ত সম্মতভাবে খুশী উদযাপনের মাধ্যমে পালন করি এবং জশনে জুলুছ র‍্যালী ও মাহফিল করি। তিনি আরও বলেন রাসুল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শই শান্তি ও মুক্তির একমাত্র পথ। মাহফিলে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) 'র তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন আল-আযহারী ও অন্যান্য ওলামায়ে কেরামগণ, মাহফিল পরিচালনা করেন উপাধ্যক্ষ মুফতি আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ ও সকল মুসলিম উম্মাহর জন্য শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়। উক্ত জশনে জুলুস র‍্যালী ও মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন- আঞ্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট,'র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনজুর আলম, সেক্রেটারী জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অ্যাডিশনাল সেক্রেটারী মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী এস এম গিয়াস উদ্দীন সাকের, ফাইন্যান্স সেক্রেটারী মোহাম্মদ কমর উদ্দিন সবুর, প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারী মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন, আঞ্জুমান এর মুখপাত্র এড. মোসাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, ঢাকা আঞ্জুমানের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, সেক্রেটারী মোঃ মিজানুর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারী মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বুলবুল, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী এস এম গোলাম কিবরিয়া, ফাইন্যান্স সেক্রেটারী আলহাজ্ব শোয়েবুজ্জামন চৌধুরী তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হযরত আলী, প্রচার ও সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ঢাকার সেক্রেটারী মোহাম্মদ কাশেম, দেশ বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামী চিন্তাবিদগণ, গবেষক ও শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিবিদ, সমাজ সেবক, সরকারী-বেসরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।