জিলহজ মাস ও পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে প্রাথমিক পূর্বাভাস প্রকাশ

 প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন   |   ধর্মীয় জীবন

জিলহজ মাস ও পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে প্রাথমিক পূর্বাভাস প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ইসলামিক ক্যালেন্ডারের গুরুত্বপূর্ণ মাস জিলহজ শুরু এবং পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাদের প্রাথমিক পূর্বাভাস দিয়েছেন। প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে আগামী ২৭ মে ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সে দেশের বিশেষজ্ঞ মহল।

পাকিস্তানে চাঁদ দেখার বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের তথ্যমতে, আগামী ১৬ মে দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। ফলে ১৭ মে সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদের বয়স ১৮ ঘণ্টার বেশি থাকবে, যা খালি চোখে দেখার জন্য যথেষ্ট অনুকূল পরিবেশ।

রুইয়াত-ই-হিলাল রিসার্চ কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল খালিদ আইজাজ মুফতি জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিক তথ্যউপাত্ত অনুযায়ী ২৭ মে ঈদ হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। তবে ১৭ মে সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে জিলকদ মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং ঈদ অনুষ্ঠিত হবে ২৮ মে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে কেন্দ্রীয় চাঁদ দেখা কমিটি ‘রুইয়াত-ই-হিলাল’ থেকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

সংযুক্ত আরব আমিরাতও গতানুগতিক হিসেবে ২৭ মে ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে একদিন পর জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়। সেই হিসেবে, যদি মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মে ঈদ হয়, তবে বাংলাদেশে ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ জিলহজ মাস?

১৪৪৭ হিজরি বর্ষের শেষ মাস জিলহজ। এই মাসের ৯ তারিখ পবিত্র হজ পালিত হয়, যা আরাফাত দিবস হিসেবে পরিচিত। তার পরের দিন ১০ জিলহজ বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করে থাকেন।

চাঁদ দেখা ও সরকারি সিদ্ধান্ত

যদিও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে সম্ভাব্য তারিখ জানিয়ে থাকেন, তবে ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই ঈদের তারিখ নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখার খবরের ভিত্তিতে চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবে। দেশের আবহাওয়া অফিস এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে তারিখ নিশ্চিত করবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement