চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতার সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী বিজ্ঞান উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শনী ও আইডিয়া শোকেসিং অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে উঠে আসে প্রযুক্তিনির্ভর নানা সৃজনশীল ধারণা ও ভবিষ্যৎমুখী উদ্ভাবন।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), SEDP-এর উদ্যোগে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন নাচোলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. সুলতানা রাজিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে দেশের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
এবারের প্রদর্শনীতে উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীরা মানবকল্যাণ, পরিবেশ সুরক্ষা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্মার্ট সেবা বিষয়ক নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রকল্প এবং বৈজ্ঞানিক ধারণা উপস্থাপন করে। বিচারকদের নানা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশ্নের আত্মবিশ্বাসী ও যুক্তিনির্ভর উত্তর দিয়ে তারা উপস্থিত অতিথি ও দর্শনার্থীদের প্রশংসা কুড়ায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দুলাল উদ্দীন খান, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার মামুনুর রশিদ এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার তহিদুল আলম। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
দিনব্যাপী প্রদর্শনীর সমাপনী পর্বে বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সেরা তিনটি প্রকল্পকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিযোগিতায় সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে এসিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রথম স্থান অর্জন করে। নাচোল বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ দ্বিতীয় এবং সোনাইচন্ডী উচ্চবিদ্যালয় তৃতীয় স্থান লাভ করে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে দেশের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের কাজে নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও বৈজ্ঞানিক দক্ষতার সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী বিজ্ঞান উদ্ভাবনী প্রজেক্ট প্রদর্শনী ও আইডিয়া শোকেসিং অনুষ্ঠান। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে উঠে আসে প্রযুক্তিনির্ভর নানা সৃজনশীল ধারণা ও ভবিষ্যৎমুখী উদ্ভাবন।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (EESS), SEDP-এর উদ্যোগে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন নাচোলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. সুলতানা রাজিয়া। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে দেশের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
এবারের প্রদর্শনীতে উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। বিভিন্ন স্টলে শিক্ষার্থীরা মানবকল্যাণ, পরিবেশ সুরক্ষা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্মার্ট সেবা বিষয়ক নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রকল্প এবং বৈজ্ঞানিক ধারণা উপস্থাপন করে। বিচারকদের নানা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশ্নের আত্মবিশ্বাসী ও যুক্তিনির্ভর উত্তর দিয়ে তারা উপস্থিত অতিথি ও দর্শনার্থীদের প্রশংসা কুড়ায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দুলাল উদ্দীন খান, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার মামুনুর রশিদ এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার তহিদুল আলম। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
দিনব্যাপী প্রদর্শনীর সমাপনী পর্বে বিচারকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সেরা তিনটি প্রকল্পকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রতিযোগিতায় সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করে এসিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রথম স্থান অর্জন করে। নাচোল বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ দ্বিতীয় এবং সোনাইচন্ডী উচ্চবিদ্যালয় তৃতীয় স্থান লাভ করে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় তারা শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে দেশের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের কাজে নিয়োজিত করার আহ্বান জানান।