শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে রাষ্ট্রপতির বাণী
শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার এক বাণীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশু-কিশোর, অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি। আগামী ৬ অক্টোবর সারা দেশে একই সঙ্গে দিবসটি ও শিশু একাডেমির অর্ধশতবর্ষ উদযাপিত হতে যাচ্ছে।
শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতার ওপর নির্ভর করছে মানবিক জাতি গঠনের ভবিষ্যৎ।রাষ্ট্রপতি জানান, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের সুস্থ শারীরিক বিকাশ, আনন্দময় শৈশব, মানসম্মত শিক্ষা এবং সৃজনশীলতার পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্ব। দেশের সুবিধাবঞ্চিত, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের অধিকার রক্ষায় সরকার শিশুবান্ধব বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে।
শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশে ক্রীড়া চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে একাধিক বিশেষ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। স্কুল পর্যায়ে খেলার সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলায় 'স্পোর্টস ভিলেজ' গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের উৎসাহিত করতে 'স্পোর্টস কার্ড' ও ক্রীড়া ভাতা চালুর পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন মুখ খুঁজে বের করতে 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' কর্মসূচি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বছরের উদযাপনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে আখ্যা দেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সুদীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে নৃত্য, সংগীত, চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সাহিত্যের মতো সৃজনশীল কার্যক্রমে শিশুদের মেধা বিকাশে শিশু একাডেমি অনন্য অবদান রাখছে। আগামী দিনে দেশের প্রতিটি প্রান্তে এ আলো আরও ছড়িয়ে পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
পরিশেষে দেশের সকল শিশুর জীবন নিরাপদ, আনন্দময় ও আলোকিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করা হয়।
আরো পড়ুন----স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠক