মোগলহাট স্থলবন্দর চালু হলে নেপাল-ভুটানসহ সেভেন সিস্টার্সের সঙ্গে বাণিজ্যের নতুন সুযোগ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু
লালমনিরহাটের মোগলহাট পরিত্যক্ত স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে ভারতের সেভেন সিস্টার্সসহ নেপাল ও ভুটানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যের নতুন দুয়ার উন্মোচন হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। এটি চালু হলে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অবদান রাখার পাশাপাশি অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। রবিবার লালমনিরহাট সদরের মোগলহাট পরিত্যক্ত স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মোঃ রাজিব আহসান।
মতবিনিময় সভায় ত্রাণমন্ত্রী জানান, বন্ধ থাকা বন্দরটি চালু হলে তা পিছিয়ে পড়া উত্তর জনপদের অগ্রগতিতে বাতিঘর হিসেবে কাজ করবে। মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বরাবরে একটি ডিও লেটার পাঠানো হয়েছিল। তার ওপর ভিত্তি করে গঠিত কারিগরি দল সরেজমিনে বন্দর পরিদর্শন করে ইতিবাচক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর এবার দুই মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা স্থানটি পরিদর্শন করলেন।
পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোগলহাট স্থলবন্দর চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ভৌত অবকাঠামো পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের অংশে প্রস্তুতির কমতি না থাকলেও এটি চালুর জন্য ভারতের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারতের অংশে কার্যক্রম শুরু না হলে কেবল বাংলাদেশের একক উদ্যোগে বন্দর চালু করা সম্ভব হবে না বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। সরকার আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যের প্রসারে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও পরিত্যক্ত স্থলবন্দরগুলো পুনরুজ্জীবিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আরো পড়ুন----শাহজালালে দুই বিমানকর্মীর জুতার ভেতর মিলল ১৬ কোটির বেশি টাকার সোনা