সংবাদ শিরোনাম

সুন্দরগঞ্জে মিথ্যা গুজব সৃষ্টি করে,মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ।

 প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন   |   রংপুর

সুন্দরগঞ্জে মিথ্যা গুজব সৃষ্টি করে,মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ।

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৩ নং তারাপুর ইউনিয়নে  এক যুবককে মিথ্যা গুজব সৃষ্টি করে ,মারধর,গৃহে হামলা, শ্লীলতাহানি ও লুটপাটের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েক জনকে আসামি করে থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন ভুক্তভোগী মোছাঃ সুফিয়া বেগম।এজাহার সূত্রে জানা যায়, সুফিয়া বেগমের মেয়ে মোছাঃ ইয়াছমিন আক্তারের সঙ্গে যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ঝাপা পাড়া গ্রামের মোঃরিয়াদ হোসেনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত ২৭ মার্চ বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে রিয়াদ হোসেন মেয়েটিকে দেখতে সুফিয়া বেগমের বাড়িতে আসেন,অভিযোগে বলা হয়,ওইদিন রাত আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে প্রধান আসামি মোঃ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক সংঘবদ্ধভাবে বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা ওই ছেলে রিয়াদ হোসেনকে টানা-হেঁচড়া করে মারধর করতে করতে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে সুফিয়া বেগম,তার স্বামী মোঃ জয়নাল আবেদীন,মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার ও জেসমিন বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করা হয়।

এছাড়া হামলাকারীরা ঘরে থাকা গরু বিক্রির নগদ টাকা লুট করে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।একই সঙ্গে সুফিয়া বেগমের গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়,যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ টাকা।এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়,হামলার সময় আসামিরা ইয়াছমিন আক্তার ও জেসমিন বেগমের শ্লীলতাহানি ঘটায় এবং ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।পরে জানা যায়,অপহৃত রিয়াদ হোসেনকে জিম্মি করে তার পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৪১ হাজার টাকা আদায় করেছে বলে জানা যায়।তবে এই সব অভিযোগ অস্বীকার ও মিথ্যা ভিত্তিহিন বলে দাবি করে অভিযুক্ত মোঃ আতিকুর রহমান সহ বাকি অভিযুক্তরা বলেন,ঘটনার রাতে এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি জয়নাল আবেদিনের বাড়ী- ঘটনাস্থলে যান এবং গিয়ে দেখেন এলাকাবাসী  ছেলে মেয়ে উভয় কে একে ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে আটকিয়ে রেখেছে,পরে আমি উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে ছেলেটিকে বাজারে নিয়ে এসে তার বাবা,মার সাথে কথা বলে,এলাকার স্থানীয় মুরব্বিদের পরামর্শ ক্রমে পরেদিন সকালে বাড়ীতে পাটিয়ে দেওয়া হয়।

তার দাবি,তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল পাশা জানান,লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।