খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের অবকাঠামো উন্নয়নে বড় উদ্যোগ
খুলনার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প
___________
খুলনা ব্যুরো :
খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও খুলনা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের অবকাঠামো উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বর্তমানে প্রি-একনেক পর্যায়ে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার পরই উন্নয়নকাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার ১৩ আগষ্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তাঁরা এসব তথ্য জানান। এ সময় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন, বিসিবির পরিচালক ও দৈনিক লোকসমাজ-এর সম্পাদক শান্তুনু ইসলাম এবং বিসিবি কাউন্সিলর চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, খুলনার ক্রীড়াঙ্গনকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। বিভাগীয় স্টেডিয়াম ও মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি এখন প্রি-একনেকে যাওয়ার অপেক্ষায়। বরাদ্দ নিশ্চিত হলে দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।
বিসিবির পরিচালক শান্তুনু ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের সংস্কার প্রয়োজন ছিল। খুলনার ক্রীড়ামোদী মানুষেরও এটি দীর্ঘদিনের দাবি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে খুলনার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এখানে আবার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলা আয়োজন করা সম্ভব হবে। এতে স্থানীয় খেলোয়াড়েরাও অনুপ্রাণিত হবেন।
স্টেডিয়াম পরিদর্শনকালে স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য মোল্লা খায়রুল ইসলাম, ক্রীড়া সংগঠক একরামুল কবির মিল্টন, খুলনা জেলা ক্রিকেট দলের কোচ শামসুজ্জামান সবুজ, হেমায়েত উদদীন, ওয়াহেদুর রহমান বাবু, আজিজুর রহমান জুয়েল ও সফিউল আলম সবুজ উল্লেখযোগ্য।
দীর্ঘদিন বড় ধরনের সংস্কার না হওয়ায় খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা অনেকটাই পুরোনো হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, ২০০ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে খুলনার ক্রীড়াঙ্গন আবারও তার পুরোনো জৌলুশ ফিরে পাবে।