কুয়েট শিক্ষকের ওপর হামলা, দোষীদের শাস্তির দাবি

 প্রকাশ: ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন   |   খুলনা

কুয়েট শিক্ষকের ওপর হামলা, দোষীদের শাস্তির দাবি

খুলনা ব্যুরো :

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মুহাঃ রফিকুল ইসলামের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে তারা।

বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে নগরের মজগুন্নি এলাকায় হামলার শিকার হন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। এতে তিনি আহত হন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় খালিশপুর থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। কুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ মাছুদ খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

কুয়েট প্রশাসন জানিয়েছে, আহত শিক্ষকের চিকিৎসার বিষয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তাঁর চিকিৎসা ও সার্বিক পরিস্থিতিরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, একজন শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যের ওপর এ ধরনের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক, নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষকের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কুয়েট প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে আহত অধ্যাপক মুহাঃ রফিকুল ইসলামের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement