সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল: আগামীকাল থেকে পে ফিক্সেশন ও বকেয়া বেতনের সুবিধাসমূহ
ছবি- সংগৃহীত
নতুন পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণ (পে ফিক্সেশন) প্রক্রিয়া আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পে ফিক্সেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর কর্মচারীরা বিগত তিন মাসের বকেয়া বেতন (এরিয়ার) একসাথে পাবেন।
নিচে বেতন নির্ধারণ সংক্রান্ত মূল নির্দেশনা ও তথ্যসমূহ ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো:
১. পে ফিক্সেশন প্রক্রিয়া ও পোর্টাল
ডিজিটাল মাধ্যম: বেতন পুনর্নির্ধারণের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে ‘iBAS++’ (আইবাস প্লাস প্লাস)-এর নির্দিষ্ট পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে।
যেসব তথ্য প্রয়োজন হবে:
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর ও সঠিকভাবে মিলানো জন্মতারিখ।
- বর্তমান পদবি, গ্রেড ও বর্তমান মূল বেতন (Basic Pay)।
- চাকরিতে প্রথম যোগদানের তারিখ এবং পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণের তথ্য।
- রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর (যেটিতে আইবাস প্লাস প্লাসে মেসেজ/OTP যাবে)।
বেতন হিসাবের পদ্ধতি
- নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী মূল বেতন নির্ধারিত হওয়ার পর, আগের ও নতুন মূল বেতনের পার্থক্য এবং কার্যকরের তারিখ হিসাব করে তিন মাসের বকেয়া টাকা দেয়া হবে।
- পদবি, বর্তমান স্কেল এবং কার্যকরের তারিখের ভিন্নতার কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া অর্থের পরিমাণে ভিন্নতা আসবে।
৩. বিশেষ ক্ষেত্রে করণীয় ও সতর্কতা
অতিরিক্ত তথ্য ও নথি: যাদের চাকরির মেয়াদে পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর স্কেল পাওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও নথি প্রস্তুত রাখতে হবে।
NID সমস্যা: যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত তথ্য চাকরির মূল নথির সাথে মিলে না, তাদের জন্মতারিখ ও প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
সতর্কতা: এনআইডি, নাম ও অন্যান্য তথ্যে অসংগতি থাকলে সার্ভিস বুক পুনর্নির্ধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই পোর্টাল সাবমিটের আগে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।