কুশনারের সফরের আগে কায়রো যাচ্ছেন হামাস নেতা

 প্রকাশ: ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন   |   আন্তর্জাতিক

কুশনারের সফরের আগে কায়রো যাচ্ছেন হামাস নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গাজা নিয়ে নতুন করে আলোচনার উদ্যোগের মধ্যে মিসরের রাজধানী কায়রো যাচ্ছেন হামাসের রাজনৈতিক নেতা ও প্রধান আলোচক খলিল আল-হাইয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দূত জ্যারেড কুশনারের মধ্যপ্রাচ্য সফরের আগে তাঁর এই কায়রো সফরকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

হামাসের সূত্রের বরাতে এএফপি ও আনাদোলু জানিয়েছে, রোববার সকালে মিসরের গোয়েন্দা প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে আল-হাইয়ার। জুলাইয়ের শেষ দিকে হামাসের নেতৃত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে মিসরে তাঁর প্রথম সফর।

আগামী সপ্তাহে ইসরায়েল ও মিসর সফরে যাবেন কুশনার। গাজা নিয়ে একটি মার্কিন পরিকল্পনা ঘিরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য কমানোই তাঁর সফরের লক্ষ্য। কুশনারের সঙ্গে থাকবেন গাজার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’-এর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি নিকোলায় ম্লাদেনভ।

নেতানিয়াহু সম্প্রতি ১৫ দফা ওই পরিকল্পনা প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেন। পরিকল্পনাটিতে নতুন একটি ফিলিস্তিনি পরিচালনা কমিটির কাছে হামাস অস্ত্র সমর্পণে সম্মত হয়েছিল বলে জানানো হয়।

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য বাসেম নাঈম শুক্রবার এএফপিকে বলেন, নেতানিয়াহু ও তাঁর সরকারকে পরিকল্পনার রোডম্যাপ মানতে বাধ্য করতে মধ্যস্থতাকারী ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চাপের অপেক্ষায় রয়েছে হামাস।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। শনিবার গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ফিলিস্তিনি সরকারি সূত্রের হিসাবে, গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান সংঘাতে উপত্যকাটিতে মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।

নেতানিয়াহু গত রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বোর্ড অব পিস’ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, হামাস সত্যিকার অর্থে নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে কোনো প্রত্যাহার করবে না।

এরই মধ্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজও জানিয়েছেন, লেবানন ও সিরিয়ায় দখল করা ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ইসরায়েলি সেনারা অবস্থান করবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তিনটি ফ্রন্টেই ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে।

সূত্র: আলজাজিরা

Advertisement
Advertisement
Advertisement