সংবাদ শিরোনাম

বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে চেম্বার অব কমার্সের ভোট গ্রহন

 প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন   |   রাজশাহী

বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে চেম্বার অব কমার্সের ভোট গ্রহন

প্রতিদিনের দেশ ডেস্ক :

প্রায় দেড় যুগ পর সরাসরি ভোটে নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্যরা। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে রোববার সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

রোববার ৫ জুলাই সকাল ১০টায় শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটের প্রথম ঘণ্টাতেই শতাধিক ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। দীর্ঘদিন পর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ।

নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির ১২টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৮ জন প্রার্থী। মোট এক হাজার ৭৭ জন ভোটার তিনটি পৃথক ব্যালটের মাধ্যমে সভাপতি, সহসভাপতি ও পরিচালক পদে তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।

এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। বিএনপি-সমর্থিত ‘বাদল-হিরু’ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী এমএসএম আতিকুর রহমান বাদল ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীক নিয়ে এবং জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত ‘সেলিম-এরশাদ’ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী মো. সেলিম রেজা ‘ছাতা’ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।

সহসভাপতি পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে বাদল-হিরু প্যানেলের মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু (আনারস), সেলিম-এরশাদ প্যানেলের মো. এরশাদুল বারী এরশাদ (হারিকেন) ও মো. মামুনুর রশিদ মামুন (মোমবাতি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহামুদুর রহমান শিপন (খেজুরগাছ) প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন। পরিচালক পদে লড়ছেন ২২ জন প্রার্থী, যার মধ্যে দুটি প্যানেলের ১৮ জন এবং চারজন স্বতন্ত্র।

বগুড়া চেম্বারে সর্বশেষ সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৭ সালে। এরপর দীর্ঘ সময় ভোট ছাড়াই কমিটি গঠন হওয়ায় সাধারণ সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুনকে চেয়ারম্যান করে তিন সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement