সংবাদ শিরোনাম

গুতেরেসের স্বাগত প্রাতরাশে তারেক রহমান

 প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন   |   জাতীয়

গুতেরেসের স্বাগত প্রাতরাশে তারেক রহমান


অনলাইন ডেস্ক:
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দেওয়া স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নিয়েছেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক ও ব্যস্ত সফর শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জে বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে এ প্রাতরাশের আয়োজন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানেরা তাঁদের জীবনসঙ্গীদের নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁরা ফটোসেশনে অংশ নেন এবং কুশল বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। এ সময় তাঁরা আন্তোনিও গুতেরেস ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ফটোসেশনে অংশ নেন।

প্রাতরাশ শেষে সকাল ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেন। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা অংশ নিচ্ছেন।

২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে ভাষণ
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে এটিই হবে তাঁর প্রথম ভাষণ।

প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, তিনি বাংলায় বক্তব্য দেবেন।

জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাতের কর্মসূচিও রয়েছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে বিশ্বজুড়ে চলমান বিভিন্ন সংকট, শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়নসহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার সুযোগ থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। জাতিসংঘের অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক আয়োজনের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও বৈঠকের মধ্য দিয়ে এসব কর্মসূচি এগিয়ে যাবে।