ঢাকা, ২৪ জুন: দেশের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনির্ভরশীলতা রক্ষায় কোনো ধরনের পরনির্ভরশীলতার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে যে আত্মনির্ভরশীল উন্নয়নধারা শুরু হয়েছিল, তা দেশের জনগণকে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বুধবার রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভীর ভাষ্য, দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই রাজনৈতিক দর্শন আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হয়েছে, যা জনগণের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগ তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, কিছু মহল পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তবে এসব কর্মকাণ্ড দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সহাবস্থানের যে সংস্কৃতি দেশে বিদ্যমান, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত। সাম্প্রদায়িক উসকানি বা বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সরকার ও জনগণ উভয়ই সতর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি বহু পুরোনো। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সময় আরও শক্তিশালী রূপ লাভ করে। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে রিজভী বলেন, দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এ লক্ষ্যে কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা জনগণের রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সংসদে জুয়া নিষিদ্ধকরণে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া দেশকে অস্থিতিশীল করার নানা অপচেষ্টা ও উসকানির কথাও তুলে ধরেন রিজভী। তবে জনগণ এসব বিষয়ে সচেতন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন বিএনপির এই নেতা।
ঢাকা, ২৪ জুন: দেশের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনির্ভরশীলতা রক্ষায় কোনো ধরনের পরনির্ভরশীলতার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে যে আত্মনির্ভরশীল উন্নয়নধারা শুরু হয়েছিল, তা দেশের জনগণকে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বুধবার রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভীর ভাষ্য, দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই রাজনৈতিক দর্শন আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী হয়েছে, যা জনগণের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগ তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, কিছু মহল পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তবে এসব কর্মকাণ্ড দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সহাবস্থানের যে সংস্কৃতি দেশে বিদ্যমান, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত। সাম্প্রদায়িক উসকানি বা বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সরকার ও জনগণ উভয়ই সতর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি বহু পুরোনো। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে যে সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, তা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সময় আরও শক্তিশালী রূপ লাভ করে। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে এবং নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে রিজভী বলেন, দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এ লক্ষ্যে কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা জনগণের রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সংসদে জুয়া নিষিদ্ধকরণে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া দেশকে অস্থিতিশীল করার নানা অপচেষ্টা ও উসকানির কথাও তুলে ধরেন রিজভী। তবে জনগণ এসব বিষয়ে সচেতন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত বলে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন বিএনপির এই নেতা।