ফেনী স্টেশনে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা আটকা মেঘনা এক্সপ্রেসের প্রায় ৮০০ যাত্রী
ফেনী রেলওয়ে জংশনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেস প্রায় আড়াই ঘণ্টা আটকে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অন্তত ৮০০ যাত্রী।
শনিবার সকাল ৮টা ২২ মিনিটের দিকে ট্রেনটি ফেনী স্টেশনে প্রবেশের সময় ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে পরীক্ষা করে ইঞ্জিনের মোটরে যান্ত্রিক ত্রুটি শনাক্ত করা হয়। একপর্যায়ে মোটরে আগুন লাগার আশঙ্কা দেখা দিলে নিরাপত্তার স্বার্থে ট্রেনটি স্টেশনের ডাউন লাইনে থামিয়ে রাখা হয়।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিকল ইঞ্জিনটি অপসারণ এবং বিকল্প ইঞ্জিন সংযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ট্রেনটি স্টেশনেই রাখা হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার কারণে অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে সড়কপথে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন।
লাকসাম থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রী এনামুল হক জানান, সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ট্রেনে ওঠার পর ফেনী স্টেশনে এসে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকতে হচ্ছে। অপেক্ষার সময় বেড়ে যাওয়ায় অনেক যাত্রী বিকল্প পরিবহন বেছে নিয়েছেন।
আরেক যাত্রী রাশেদা বেগম বলেন, দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন জানান, বিকল ইঞ্জিনের পরিবর্তে চট্টগ্রাম থেকে একটি বিকল্প ইঞ্জিন পাঠানো হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ফৌজদারহাট এলাকা অতিক্রম করেছে। নতুন ইঞ্জিন সংযুক্ত করার পর মেঘনা এক্সপ্রেস পুনরায় চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে।
তিনি আরও বলেন, ফেনী স্টেশন থেকে যেসব যাত্রীর এই ট্রেনে ভ্রমণের কথা ছিল, তাদের কেউ কেউ টিকিট ফেরত নিয়ে অন্য পরিবহনে যাত্রা করেছেন। তবে মেঘনা এক্সপ্রেস একটি লাইনে আটকে থাকলেও স্টেশনের বাকি দুটি লাইন সচল থাকায় অন্যান্য ট্রেন চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।