ঢাকা, ১৮ মে : অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) জারি করা ‘অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
সোমবার (১৮ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে পেশাদার সাংবাদিকদের শীর্ষ এ দুই সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানান বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন ও মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী এবং ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মস্থল পরিবর্তন, নিজের উপযুক্ত কর্মস্থল নির্বাচন এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। কোনো সংগঠন বা মালিকপক্ষ একতরফাভাবে এমন নির্দেশনা জারি করে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে না।
তারা আরও বলেন, কর্মস্থল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এনওসি বাধ্যতামূলক করা এবং তা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থার হুমকি দেওয়া শ্রম আইন, সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও স্বাধীন গণমাধ্যম চর্চার পরিপন্থি। এ ধরনের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমে সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ নষ্ট করবে এবং গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভয়, অনিশ্চয়তা ও অপেশাদার পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলোতে এখনও সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র, নিয়মিত বেতন-ভাতা ও বোনাস নিশ্চিত হয়নি। পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তারও ঘাটতি রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অ্যাটকোর এ সিদ্ধান্তকে বেআইনি ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন নেতারা।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অ্যাটকোর এ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের স্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্ত থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বানও জানান তারা।
ঢাকা, ১৮ মে : অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) জারি করা ‘অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক’ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
সোমবার (১৮ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে পেশাদার সাংবাদিকদের শীর্ষ এ দুই সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানান বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন ও মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী এবং ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের কর্মস্থল পরিবর্তন, নিজের উপযুক্ত কর্মস্থল নির্বাচন এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার অধিকার সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত। কোনো সংগঠন বা মালিকপক্ষ একতরফাভাবে এমন নির্দেশনা জারি করে সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে না।
তারা আরও বলেন, কর্মস্থল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এনওসি বাধ্যতামূলক করা এবং তা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থার হুমকি দেওয়া শ্রম আইন, সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও স্বাধীন গণমাধ্যম চর্চার পরিপন্থি। এ ধরনের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমে সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ নষ্ট করবে এবং গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভয়, অনিশ্চয়তা ও অপেশাদার পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলোতে এখনও সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র, নিয়মিত বেতন-ভাতা ও বোনাস নিশ্চিত হয়নি। পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো ও ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তারও ঘাটতি রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অ্যাটকোর এ সিদ্ধান্তকে বেআইনি ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন নেতারা।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অ্যাটকোর এ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের স্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্ত থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার আহ্বানও জানান তারা।