চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের বিদেশি ইজারা: বামপন্থী দলগুলোর তীব্র প্রতিবাদ, গণ–অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর পল্টনসংলগ্ন জিপিও মোড়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা একটি বিক্ষোভ মিছিল এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে। সমাবেশে বক্তারা চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এবং মোংলা বন্দর কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সরকারের পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বক্তারা অভিযোগ করেছেন, ডিপি ওয়ার্ল্ড যেসব দেশের বন্দর পরিচালনা করেছে সেখানে তাদের কর্মকাণ্ডের খারাপ প্রতিচ্ছবি রয়েছে। বিদেশি কোম্পানি বন্দর পরিচালনা করলে দেশীয় কর্মীদের চাকরি সংকুচিত হবে। সরকারের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে শুল্ক ৪১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে, যাতে দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডের দিকে না যায়।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, জিবুতি দেশের বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের কর্মকাণ্ড দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করেছিল। এ ধরনের সমস্যা নতুন বন্দর চুক্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “বিদেশি সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকারের চলমান নীতিমালা দেশের সার্বভৌমত্বের বিপরীত। এখনো সময় আছে, সিদ্ধান্ত না বদলালে তীব্র আন্দোলন ও প্রয়োজনে গণ–অভ্যুত্থান হবে।”
সমাবেশে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন আহম্মদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি আবদুল আলী, বাসদের সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ ভূঁইয়া এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আরও সতর্ক করেছেন, ডিসেম্বর মাসে পরিকল্পিত চুক্তি থেকে সরকার সরে না এলে বাম দলগুলো চট্টগ্রামে বৃহৎ সমাবেশ করবে। এছাড়া নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও এবং সর্বনাত্মক আন্দোলনসহ কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।
শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক, বলেন, “বঙ্গোপসাগর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মহড়া স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশকে সেই যুদ্ধক্ষেত্রের পটভূমি বানানোর চেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে চলছে।”
বাসদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দেওয়ার মাধ্যমে সরকার যে উন্নয়ন গল্প শোনাচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত নয়। এটি দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বড় হুমকি।”
সমাবেশের শেষে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন।রাজধানীর পল্টনসংলগ্ন জিপিও মোড়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা একটি বিক্ষোভ মিছিল এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে। সমাবেশে বক্তারা চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এবং মোংলা বন্দর কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সরকারের পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বক্তারা অভিযোগ করেছেন, ডিপি ওয়ার্ল্ড যেসব দেশের বন্দর পরিচালনা করেছে সেখানে তাদের কর্মকাণ্ডের খারাপ প্রতিচ্ছবি রয়েছে। বিদেশি কোম্পানি বন্দর পরিচালনা করলে দেশীয় কর্মীদের চাকরি সংকুচিত হবে। সরকারের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে শুল্ক ৪১ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে, যাতে দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডের দিকে না যায়।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, জিবুতি দেশের বন্দর ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের কর্মকাণ্ড দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করেছিল। এ ধরনের সমস্যা নতুন বন্দর চুক্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “বিদেশি সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকারের চলমান নীতিমালা দেশের সার্বভৌমত্বের বিপরীত। এখনো সময় আছে, সিদ্ধান্ত না বদলালে তীব্র আন্দোলন ও প্রয়োজনে গণ–অভ্যুত্থান হবে।”
সমাবেশে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন আহম্মদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি আবদুল আলী, বাসদের সাধারণ সম্পাদক হারুনার রশিদ ভূঁইয়া এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা আরও সতর্ক করেছেন, ডিসেম্বর মাসে পরিকল্পিত চুক্তি থেকে সরকার সরে না এলে বাম দলগুলো চট্টগ্রামে বৃহৎ সমাবেশ করবে। এছাড়া নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও এবং সর্বনাত্মক আন্দোলনসহ কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।
শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক, বলেন, “বঙ্গোপসাগর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের মহড়া স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশকে সেই যুদ্ধক্ষেত্রের পটভূমি বানানোর চেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে চলছে।”
বাসদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের দেওয়ার মাধ্যমে সরকার যে উন্নয়ন গল্প শোনাচ্ছে, তা বাস্তবসম্মত নয়। এটি দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বড় হুমকি।”
সমাবেশের শেষে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন।