শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাণী প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার এক বার্তায় দেশের প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব, নৈতিক ও আধুনিক শিক্ষা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী উদযাপিত হতে যাওয়া শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এ বাণী প্রদান করা হয়।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে মুক্তিযুদ্ধের সময়কালের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।
বাণীতে উল্লেখ করা হয়, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সুদীর্ঘ অর্ধশতক পেরিয়ে ২০২৬ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠানটি গৌরবময় সুবর্ণজয়ন্তীতে পদার্পণ করেছে। ১৯৭৮ সাল থেকে প্রবর্তিত 'জাতীয় শিশু পুরস্কার' প্রতিযোগিতার মতো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা প্রস্ফুটিত করতে একাডেমি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
আমাদের নিষ্পাপ শিশুদের হাসিমাখা মুখই নতুন বাংলাদেশের অসীম সম্ভাবনার প্রতীক বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিশুশ্রম নিরসনে ১৯৯৪ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) আইপেক প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকাও ছিল অনবদ্য। এক সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে শিশুদের সার্বিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ অত্যন্ত অপরিহার্য।
বাণীতে বর্তমান সমাজব্যবস্থার নানা চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে ও সামাজিক বৈষম্যের মতো ব্যাধিগুলো দূর করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। আগামী দিনের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ক্রীড়া ও সাহিত্য চর্চায় আজকের শিশুরাই দেশকে বিশ্বদরবারে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
সবশেষে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীর সার্বিক সাফল্য কামনা করে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
আরো পড়ুন----ঢাকার যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণে জোর প্রধানমন্ত্রীর