নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে সরকারি পদ ছাড়লেন তারিকুল ইসলাম
মহানগর ডেস্ক:
মঙ্গলবার সকালটা সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে আর দশটা সাধারণ দিনের মতোই শুরু হয়েছিল। কিন্তু দুপুর গড়াতেই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পৌঁছানো একটি পদত্যাগপত্র আদালত পাড়ায় নতুন এক আলোচনার জন্ম দেয়। ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ ‘সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল’ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন মো. তারিকুল ইসলাম।
এক নজরে ঘটনাপ্রবাহ:
সিদ্ধান্ত: আসন্ন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ মেয়াদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা।
পদবী: তিনি সমিতির গুরুত্বপূর্ণ সহ-সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে লড়তে যাচ্ছেন।
পদত্যাগ: মঙ্গলবার (৫ মে) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
তপ্ত পিচ থেকে নির্বাচনী ময়দানে
আইনজীবীদের শীর্ষ এই সংগঠনের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথে কোনো আইনি বা নৈতিক বাধা রাখতে চাননি তারিকুল ইসলাম। পদত্যাগপত্রে তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নিজের লক্ষ্য ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আসন্ন নির্বাচনে সহ-সম্পাদক পদে একজন প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উদ্দেশ্যেই তিনি সরকারি এই পদটি থেকে বিদায় নিচ্ছেন।
একজন সরকারি আইন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এখন সাধারণ আইনজীবীদের অধিকার আদায়ে সরাসরি মাঠে নামতে প্রস্তুত তিনি। আদালত পাড়ায় গুঞ্জন রয়েছে, তার এই সাহসী সিদ্ধান্ত নির্বাচনী সমীকরণকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।
কেন এই পদত্যাগ?
সাধারণত বড় কোনো পদের হাতছানি বা আদর্শিক অবস্থান থেকেই আইনজীবীরা এমন সিদ্ধান্ত নেন। মো. তারিকুল ইসলামের ক্ষেত্রেও বিষয়টি ব্যতিক্রম নয়। আইনজীবীদের স্বার্থ রক্ষা এবং বার অ্যাসোসিয়েশনের সেবাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই তিনি দীর্ঘদিনের চেনা ডেক্স ছেড়ে এখন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ৫ মে’র এই পদত্যাগপত্র কেবল একটি কাগজের টুকরো নয়, বরং তার রাজনৈতিক ও পেশাদারী জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
আপনার সংবাদের ভাষা বা তথ্যে আরও কোনো নির্দিষ্ট পরিবর্তন চাইলে জানাতে পারেন। আপনি কি তারিকুল ইসলামের কোনো বিশেষ সাফল্যের কথা এখানে যুক্ত করতে চান?