সংবাদ শিরোনাম

সারাদেশে খেলার মাঠ স্থাপন ও বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

 প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন   |   জাতীয়

সারাদেশে খেলার মাঠ স্থাপন ও বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২৯ ফাল্গুন (১৪ মার্চ):

সারাদেশের শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভা আজ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর।

সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন এবং সে লক্ষ্যেই আমাদের মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। খেলাধুলাকে একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া জাতীয় দলের সকল পর্যায়ের খেলোয়াড়দের একটি সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামোর আওতায় আনার কাজও চলমান রয়েছে।’ তিনি জানান, প্রান্তিক পর্যায়ের প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল ডিভাইসের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই।’

সভায় দেশের প্রতিটি অঞ্চলে খেলার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়: প্রতিটি ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে একটি করে স্থায়ী খেলার মাঠ স্থাপনের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হবে; প্রতিটি উপজেলায় একটি করে খেলার মাঠ স্থাপনের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হবে; ঢাকা মহানগরের প্রতি ২ থেকে ৩টি ওয়ার্ডের মাঝামাঝি ৩ থেকে ৪ বিঘা আয়তনের একটি করে খেলার মাঠ স্থাপন করা হবে; ঢাকা মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে আধুনিক ‘ফুটসাল’ মাঠ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, সারাদেশের অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত জায়গাগুলো চিহ্নিত করে তা খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মাঠগুলো চিহ্নিত করা শেষে পরিদর্শনের জন্য একটি সচিব কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে গৃহীত এসব সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।