দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও নীতি-কূটনীতি -- ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী
ঢাকা, ১৪ কার্তিক (৩০ অক্টোবর):
অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, জ্ঞান-উদ্ভাবন, নীতি-কূটনীতি এবং সামাজিক আস্থার পুনর্গঠন দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। প্রশাসন ও উন্নয়ন শুধু কাঠামোগত পরিবর্তনের বিষয় নয়, এটি মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়বোধ এবং আধুনিক জ্ঞানব্যবস্থার সমন্বয়।
প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী আজ পাকিস্তানের পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সায়েন্সেস (IAS)-এ অনুষ্ঠিত ‘IAS-SANPA International Conference 2025’-এ একথা বলেন।
বিশেষ সহকারী আরো বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে রাষ্ট্রব্যবস্থা হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তি সমন্বিত। তরুণ প্রজন্ম ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে জ্ঞানের অংশীদারিত্ব ও পাবলিক ইনোভেশন ল্যাবে যুক্ত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ-পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়া একাডেমিক ও নীতি-কূটনীতি প্ল্যাটফর্মকে শক্তিশালী করা উচিত। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহাসিক বন্ধন ও আঞ্চলিক মানবসম্পদের শক্তি তুলে ধরে বলেন, যেখানে রাজনৈতিক সীমা আমাদের আলাদা করে, জ্ঞান ও উন্নয়নের লক্ষ্য সেখানে আমাদের এক কাতারে দাঁড় করায়।
SANPA–এর প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. আখলাকে হক তাঁর বক্তৃতায় দক্ষিণ এশিয়ায় প্রশাসন চর্চার জ্ঞান বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সম্মেলনের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলী।
পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রফেসর আহসান ইকবাল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ, নীতি-নির্ধারক, গবেষক ও আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ প্রশাসনবিদ, নীতিনির্ধারক ও গবেষকগণ অংশ নিচ্ছেন।