অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন বিশেষ দূতের বৈঠক

 প্রকাশ: ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন   |   জাতীয়

অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন বিশেষ দূতের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়ানো এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর।

শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার পর রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হয়।

বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সার্জিও গোর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দুই দেশের অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার এবং দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বাস্তব ও ইতিবাচক ফলাফল অর্জন সম্ভব।

এর আগে গত ৩০ জুলাই বাংলাদেশে পৌঁছান মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর। সফরের শুরুতেই তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।

পরে সফরের অংশ হিসেবে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন তিনি। সেখানে রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট মানবিক বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা নেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এক্সে দেওয়া পৃথক এক বার্তায় সার্জিও গোর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তাঁর প্রথম বাংলাদেশ সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতার মাত্রা কমানোর বিষয়টিও সফরে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সার্জিও গোর জানান, বাংলাদেশের মাঠপর্যায়ের স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর দেশটির ভ্রমণ-নিরাপত্তা নির্দেশনা সংশোধন করেছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশকে দেওয়া সামগ্রিক ভ্রমণ সতর্কতার মাত্রা ‘লেভেল-৩’ থেকে কমিয়ে ‘লেভেল-২’ করা হয়েছে। তবে কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা ও বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্কিন বিশেষ দূতের এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরিতে সফরটি ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement